Site Logo

পুলিশের নাকের ডগায় রমরমিয়ে চলত আনন্দের মা.দকচক্র! ক্ষোভে ফুঁসছে সূর্যপুর

EBBS Desk··1 min read
পুলিশের নাকের ডগায় রমরমিয়ে চলত আনন্দের মা.দকচক্র! ক্ষোভে ফুঁসছে সূর্যপুর

বারুইপুরের সূর্যপুর হাটের কাছেই দীর্ঘদিন ধরে একটি চোলাই মদ, গাঁজার ঠেক রমরমিয়ে চলছে। সূর্যপুর হাটে রয়েছে বারুইপুর থানার নিয়ন্ত্রণাধীন পুলিশ ফাঁড়ি। স্থানীয় মানুষের ভাষায়, পুলিশের নাকের ডগায় চোলা মদ, গাঁজার ঠেক। রমরমিয়ে ব্যবসা। স্থানীয় জনতার আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন চলা এই ঠেকে নানা ধরনের অন্য অসামাজিক কাজ চলত। আর এই কারবারের কিংপিন আনন্দ সরদার। যে মূল অভিযুক্ত অপরাজিতার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায়। ওই চত্বরে সে দীর্ঘদিন ধরেই মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী-বাসিন্দা- গাড়ির চালক ও স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মীদের সেকথা অজানা নয়। স্থানীয় ক্লাবের ছেলেদের চাপে কিছুদিন এই করবার বন্ধ রাখলেও, ভোট পরবর্তী অধ্যায়ে আনন্দ ও তার সঙ্গীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। কাউকেই মানছিল না। পিছনে মদত ছিল উঠতি বিজেপি নেতাদের। কারণ সরকার পরিবর্তনের সুযোগে এরা কাউকেই ধর্তব্যের মধ্যে রাখেনি। স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় থানাও পরিস্থিতি বুঝে এদের ঘাঁটানোর উদ্যোগ নেয়নি। 

Sponsored

Sranchi In Article

স্থানীয়দের অভিযোগ, নারীপাচার চক্রও এই ঠেকে  সক্রিয় ছিল।  পুলিশ জেনে না জানার ভান করে থাকে। গত কয়েক বছরে এই ঠেকের পাশ দিয়ে বেশ কয়েকটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় পুকুর থেকে। অনেকে বলেছেন, নেশা করে বাড়ি ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে নিজেদের দায় সেরেছে। কিন্তু এইসব ঘটনার থেকে শিক্ষা নেয়নি। ঠেক থেকে নিয়মিত ‘তোলা’ ফাঁড়ির হাত হয়ে থানায় পৌঁছে যেত বলেই হয়তো ঠিক এই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি,  অভিযোগ করছেন সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন,  ঠেক যদি না থাকত তাহলে হয়তো ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর এইভাবে নির্মম নৃশংস পরিণতি হত না। সূত্রের খবর, নির্যাতিতাকে ঠেকে নিয়ে গিয়ে পাশবিক অত্যাচার করা হয়েছে, সে কথা স্বীকার করেছে ধৃত প্রভাস মণ্ডল। তাই যদি হয় তবে,  এতদিন পুলিশের নাকের ডগায়  এই ধরনের ঠেক কীভাবে চলে আসছে!  সে বিষয়ে নিশ্চয়ই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নজর দেবে। মঙ্গলবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। প্রভাসকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, নাবালিকাকে কিডন্যাপ করে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করার উদ্দেশ্য ছিল অভিযুক্তদের। কিন্তু নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তারা ওই ছাত্রীর উপর পাশবিক অত্যাচার চালায়।

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →