বীরভূমের ইটভাটা লুঠ মামলায় সিউড়ি জেলা আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। মঙ্গলবার আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে উচ্চ আদালতে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করেছেন তিনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের (Tirthankar Ghosh) এজলাসে শুনানির সম্ভাবনা। তবে, এখনও দিনক্ষণ জানা যায়নি। 

সম্প্রতি ইটভাটার ৩০ লক্ষ টাকা লুঠ মামলায় নাম জড়ায় বীরভূমের (Birbhum) কেষ্টদার। কঙ্কালিতলা অঞ্চলের পাথরঘাটায় দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে ইটের ব্যবসা চালাচ্ছেন বোলপুরের (Bolpur) ত্রিসুলাপট্টির বাসিন্দা শুভেন্দু মণ্ডল। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে অনুব্রত মণ্ডলের উস্কানিতে কঙ্কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখের নেতৃত্বে প্রায় ২০০ জন সশস্ত্র দুষ্কৃতী তাঁর ইটভাটায় চড়াও হয়। ব্যাপক তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালানো হয়। কর্মচারীদের বেধড়ক মারধর করে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয় বলে অভিযোগ। 

শুভেন্দু মণ্ডল (Suvendu Mandol) ও তাঁর কর্মীদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ব্যবসায়ীর বিজেপি (BJP) সমর্থক হওয়ার অপরাধেই তৎকালীন শাসকদলের নেতার রোষানলে পড়েন তিনি। এবার পালা বদলের পরে গ্রেফতারি থেকে বাঁচতে সিউড়ি জেলা জজ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন অনুব্রত। কিন্তু সেই মামলা গ্রহণই করেনি আদালত। জামিন পেতে এদিন হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।

সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) শিবির ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) শিবিরে নাম লিখেছেন দলনেত্রীর এককালের আস্থাভাজন কেষ্ট। শিবির ত্যাগের পরে তিনি বলেন, গরুপাচার মামলায় তিহারে জেল খেটে আসার পরে তাঁকে দলে আর গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরবর্তিত পরিস্থিতিতে ‘দিদি’র হাত ছেড়ে বিক্ষুব্ধ শিবিরে নাম লিখিয়েছেন অনুব্রত। এবার গ্রেফতারি এড়াতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ ঋতব্রত-তৃণমূলের বীরভূমের জেলা সভাপতি।