Site Logo

স্পিকারের ‘কলঙ্কজনক‘ মন্তব্যের বিরোধিতায় ফের উত্তাল বিধানসভায়, কৈফিয়ত চাইলেন শোভনদেব-কুণাল

EBBS DESK··1 min read
স্পিকারের ‘কলঙ্কজনক‘ মন্তব্যের বিরোধিতায় ফের উত্তাল বিধানসভায়, কৈফিয়ত চাইলেন শোভনদেব-কুণাল

"গতকালের ঘটনা কলঙ্কজনক"- বৃহস্পতিবার, স্পিকার রথীন্দ্র বসুর (Rathindra Basu) মন্তব্য নিয়ে ফের উত্তাল বিধানসভার অধিবেশন। এদিন বুধবারের ঘটনা নিয়ে বলতে গিয়ে সেটিকে "কলঙ্কজনক" বলে স্পিকার (Speaker)। এর তীব্র বিরোধিতা করেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovanded Chatterjee) ও কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। এই নিয়ে অধিবেশনের দ্বিতীয়দিনেও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।

Sponsored

Sranchi In Article

এদিন শোভনদেব বলেন, “গতকালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে”। স্পিকার বলেন, “কী বলবেন আবার? যা ঘটেছে তা কলঙ্কজনক। আজ তা নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না।” এরপরই স্পিকারে টেবিলের কাছে গিয়ে পালটা কুণাল বলেন, “কলঙ্কের কথাটা ঠিক বললেন না, কেন বললেন?” পরে স্পিকার বলতে বাধ্য হন, আপনাকে কলঙ্কজনক বলিনি।

বুধবার বক্তার তালিকা থেকে তাঁর নাম কেটে দেওয়া নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ করেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বিরোধীদলের ঋতব্রত শিবিরের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান বলতে উঠতেই আসন ছেড়ে উঠে এসে তাঁর মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে কুণাল প্রশ্ন তোলেন, “আপনি আমার নাম কেটেছেন কেন?” কুণালকে বাধা দেন স্পিকার। তেড়ে আসেন বিজেপি বিধায়করাও। বিধানসভায় তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। স্পিকারের নির্দেশে শেষে মার্শাল দিয়ে চ্যাংদোলা করে কুণালকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে বেলেঘাটার বিধায়ককে অধিবেশন থেকে সসাসপেন্ড করেন স্পিকার। 

এদিন অধিবেশন শুরু হতেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় স্পিকারকে বলেন, “গতকালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।” পালটা অধ্যক্ষ বলেন, “কী আবার বলবেন? গতকালের ঘটনা অত্যন্ত কলঙ্কজনক।” এর তীব্র প্রতিবাদ করেন শোভনদেব, কুণালরা। কুণাল বলেন, ”আমি ৯০ সাল থেকে এই হাউজে আসি রিপোর্টার হিসেবে।” শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, গতকালের ঘটনাকে স্পিকার কেন কলঙ্কজনক বললেন?

এর পরেই উঠে স্পিকারের কাছে চলে যান কুণাল। বলেন, “বিধানসভা ওয়াকআউট, বাদানুবাদ, মার্শাল ডেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা একেবারেই নতুন নয়। তাহলে গতকালের ঘটনাকে কলঙ্কজনক কেন বললেন?” অধ্যক্ষ বলেন, ”আপনাকে আমি তিন বার বসতে বললাম৷ আপনি কেন গেলেন ওখানে? কেন ধাক্কাধাক্কি করলেন?” এর বিরোধিতা করে কুণাল বলেল, ”আমি ধাক্কাধাক্কি করিনি।”

তৃণমূল বিধায়ককে বারবার নিজের জায়গায় গিয়ে বসতে বলেন স্পিকার। কিন্তু কুণাল অনড়। পরে নিজের জায়গায় গিয়ে বসেন তিনি। যদিও একাধিকবার বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়ান তৃণমূল বিধায়করা। রীতেশ তিওয়ারির সঙ্গ তুমুল বচসা হয় কুণালের।

পরে বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠক করে কুণাল বলেন, “বকলেস পরা বিরোধীরা কোনও কিছুর প্রতিবাদ করছেন না। ওরা বিজেপির দালালি করছে নিজের স্বার্থে। আমরা কথা বলছি মানুষেক স্বার্থে। বিজেপি চায় না আমি বলি, শক্তিশালী কণ্ঠ বলুক। আমি একজন বিধায়ক, আমার দল যখন নাম দিচ্ছে তখন বলতে দিতে হবে। আখরুজ্জামান বলছেন, আমাদের এত লোক। আরে ওই তো তোদের লোক! নোট ছাড়া এক লাইন কেউ বলতে পারে না।” 

এদিন স্পিকার প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, “রথীনবাবু ভদ্রলোক, কিন্তু যা হচ্ছে তাতে এটা তো ওনার জন্য কলঙ্ক হয়ে থাকবে। উনি ২ মাসও চালাতে পারছেন না।” আগেই প্রথমবারে বিধায়ক রথীন্দ্র বসুর স্পিকার হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। পরিষদীয় রীতিনীতি নিয়ে তাঁর জ্ঞান নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এদিন ফের বিধানসভায় বিধায়কের প্রতিবাদ ও তাঁকে মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে উঠেছে প্রশ্ন।

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →