তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া বিধায়কদের একাংশ ফের দলে ফিরতে মুখিয়ে রয়েছেন বলে দাবি করলেন কুণাল ঘোষ। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেন, শাসকদল থেকে সরে যাওয়া বা দূরত্ব তৈরি করার নেপথ্যে শুধুই রাজনৈতিক কারণ নয়, বরং পুলিশ-প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিজেপি বিরোধী বিধায়কদের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে।
কুণালের দাবি, সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে বিধায়ক— সকলকেই বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে এবং গ্রেফতারের হুমক দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, “যাঁরা গেছেন, তাঁরা ঘটনাচক্রে গেছেন। এখন নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে অনেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, ফের ফিরে আসতে চাইছেন।” বিজেপি এবং পুলিশ প্রশাসনের এই আঁতাতকে নিশানা করে তিনি বলেন, “পুলিশ সরে গেলেই ওদের অবস্থা বোঝা যাবে। পুলিশ সরে গেলে ২০ জনের জায়গায় ৩ জন পড়ে থাকবে। ৫০-৫৬ জন বিধায়ক এখন ওদিকে রয়েছেন, কিন্তু প্রশাসনিক চাপ সরলেই ওই ৫৬ থেকে ৫৮ জন বিধায়ককে নিয়ে আমরা বিধানসভায় মিছিল করব।”
তবে দলবদল নিয়ে নানা জল্পনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ বেলেঘাটার বিধায়ক। তিনি স্পষ্ট জানান, কে চলে যাচ্ছেন বা কে আসবেন— এই সমস্ত জল্পনা তৃণমূলের কাছে অর্থহীন। কারণ তৃণমূলের আসল শক্তি হলেন সাধারণ কর্মীরা এবং তাঁদের মাথার ওপর রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব।
এ দিন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নাম না করে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানান কুণাল। সুদীপের নিজস্ব রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখই তাঁর যাবতীয় জয়ের কারণ। এমনকি তাঁর স্ত্রীও এই পরিবর্তনের সমর্থনে নেই বলে মন্তব্য করেন কুণাল। পাশাপাশি, গত ২১ জুলাইয়ে বিরোধীদের সমাবেশের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে দল একটি মাত্র সভাস্থলের চেয়ার পর্যন্ত ভরাতে পারে না, তাদের অন্য কোনও বিষয়ে কথা বলাই সাজে না।
















