বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বসিরহাটের মিনাখাঁ। অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে। এমনকি প্রাণ বাঁচাতে ভিএইচপি কর্মীরা মিনাখাঁ থানায় আশ্রয় নিলে, থানার ভেতরে ঢুকেও হামলা চালানো হয় বলে দাবি আক্রান্ত সংগঠনের। এই ঘটনায় পুলিশি ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ভিএইচপি সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে বামনপুকুরের খ্রিস্টান পাড়ায় সংগঠনের একটি বৈঠক ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের দক্ষিণবঙ্গের প্রান্তীয় কার্যকর্তা শিবানন্দ মহারাজ-সহ অন্য সদস্যরা। বৈঠক শেষে ফেরার পথেই আচমকা তাঁদের ওপর চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগ, মিনাখাঁ বিধানসভার বিজেপি মণ্ডল সভাপতি অজয় দাস, ভরত দাস, বিজেপি নেতা ভূদেব মণ্ডল এবং বিধানসভা নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী রুদ্রেন্দ্র পাত্রের নেতৃত্বে তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয়।
সংগঠনের দাবি, হামলা থেকে আত্মরক্ষা করতে তাঁরা মিনাখাঁ থানায় দৌড়ে যান। কিন্তু অভিযুক্তরা থানার ভেতরে ঢুকেও মারধর চালায়। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, প্রাণ বাঁচাতে কয়েকজন কার্যকর্তা থানার পুকুরে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন। অভিযোগ, তখনও তাঁদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হতে থাকে।
ঘটনার জল গড়ায় রাত পর্যন্ত। সোমবার সন্ধ্যায় লিখিত অভিযোগ জানাতে ভিএইচপির প্রতিনিধিরা থানায় গেলে, মিনাখাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মলয় মণ্ডল প্রথমে অভিযোগ গ্রহণে টানাপোড়েন তৈরি করেন বলে দাবি সংগঠনের। তা নিয়ে পুলিশ ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মীদের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়। পরবর্তীতে সংগঠনের চাপের মুখে পড়ে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করতে বাধ্য হয় পুলিশ। তবে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিজেপির তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
















