জেন জি-দের আন্দোলনের চাপে মাথা নত করতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতিস্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরণ ঘটালেন বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী(Bidyut Chakrabarty)।
নিয়োগে অনিয়ম থেকে স্বজনপোষণ, পছন্দের লোককে বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুপারিশ-সহ একাধিক অভিযোগে সদ্য প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে বৃদ্ধ করলেন বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী উপাচার্য। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন ধর্মেন্দ্র প্রধান নানা নির্দেশ চাপিয়ে দিতেন। সেই নির্দেশ পালন না করলে হেনস্তা করতেও পিছপা হতেন না তিনি। আদতে একজন দুর্নীতিপরায়ণ মন্ত্রী ছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর জন্য সরকারের ভাবমূর্তি একাধিক বার নষ্ট হয়েছে। বিশ্বভারতীর উপাচার্য থাকাকালীন আমাকে হিন্দি বিভাগের অধ্যাপক চক্রধর ত্রিপাঠীকে প্রো ভাইস চ্যান্সেলর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর সেই নির্দেশ মানতে রাজি হইনি বলে আমাকে শাস্ত্রী ভবনে ডেকে পাঁচ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল। তারপরও আমার সঙ্গে দেখা করা হয়নি। এভাবেই আমাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল।
এখানেই শেষ নয়, পরে ওই অধ্যাপককে ওড়িশার কোরাপুট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেক্ষেত্রেও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে পদ ছাড়তে হয়। এছাড়া বিশ্বভারতীতে অধ্যাপক-সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করতেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। এমন একজন শিক্ষামন্ত্রী দরকার যিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখবেন। উল্লেখ্য, প্রহ্লাদ যোশিকে শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
প্রাক্তন উপাচার্যের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর বিশ্বভারতীর অধ্যাপক সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়েছে, প দিয়ে থাকাকালীন কেন এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেননি বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য? এখন এসব বলে তিনি কী বোঝাতে চাইছেন?
















