অতীতের প্রেক্ষিতে কীভাবে গৃহীত হল আগের ইস্তফাপত্র? প্রশ্ন তুলে উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে প্রাক্তন অধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী।

 

২০১৯ সালে পদত্যাগপত্র দেওয়ার পরেও ২০২০-তে তৎকালীন অধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদোন্নতি দেয় রাজ্য। এর পর তাঁকে হঠাৎ রামমোহন কলেজে বদলিও করে দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর পরে তিনি আর অধ্যাপনার কাজ করেননি। ২০২৫-এর সেপ্টেম্বর মাসে যেদিন ‘নিউটাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে’ (NKDA)-র চেয়ারম্যান করা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়কে (Sovan Chatterjee), সেইদিনই বৈশাখীর কাছে চিঠি আসে তাঁর ২০১৯ সালে পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে। 

এর বিরোধিতা করে রাজ্য শিক্ষা দফতরে চিঠি দেন বৈশাখী। সেই সময় রাজ্যের অ্যাডভোকটে জেনারেল কিশোর দত্ত অতীতের প্রেক্ষিতে (retrospectively) বৈশাখীর ইস্তফা গৃহীত বলে জানান। কিন্তু বৈশাখীর দাবি, সেই যুক্তি মানতে চাননি স্বয়ং তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থও। তিনি বিনোদ কুমারকে বিষয়টি দেখতে বলেন। 

সরকার বদল হয়, কিন্তু রিপোর্ট বদলায় না। এবছর জুলাইতে ফের সেই আগের নির্দেশ- অর্থাৎ ২০১৯-এর পদত্যাগ গৃহীত হল- বলে চিঠি পান বৈশাখী। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর সময় চান বৈশাখী-শোভন।   

সেই মতো সোমবার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের দেখা করে কথা বলেন বৈশাখী। সঙ্গে ছিলেন শোভনও। সেখানে বৈশাখী জানান, ২০১৯-এর ইস্তফা দেওয়ার পরেও তাঁর পদোন্নতি ও বদলি হয়েছে। তাহলে, কীসের ভিত্তিতে retrospectively তাঁর ইস্তফা গ্রহণের কথা জানিয়ে ২০২৬-এ চিঠি আসে। জগন্নাথ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান বৈশাখী।