Site Logo

জিআই স্বীকৃতি পেল চন্দননগরের জলভরা

EBBS Desk··1 min read
জিআই স্বীকৃতি পেল চন্দননগরের জলভরা

Quick Read

Summary is AI-generated · Reviewed by Newsroom

  • চন্দননগরের জলভরা সন্দেশ জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে।
  • এই মিষ্টির উৎপত্তি নতুন জামাইকে ঠকানোর ঐতিহ্য থেকে।
  • জলভরা সন্দেশ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় বিশুদ্ধ ছানা ও চিনি।
  • মিষ্টিটি খেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও ভ্যাটিকানের পোপ।
  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ হবে জলভরা সন্দেশের জিআই স্বীকৃতির ফলে।

AI-generated summary · Reviewed by editorial team

Read Notes

জিআই স্বীকৃতি পেল বাংলার জলভরা সন্দেশ! হুগলি জেলার ইতিহাসের তালিকায় এবার আরও গভীরভাবে জায়গা করে নিল চন্দননগরের বিখ্যাত ‘জলভরা সন্দেশ’। বলা হয়, আনুমানিক দু’শো বছর আগে নতুন জামাইকে বোকা বানানোর থেকেই শুরু হয় এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি বানানো। সেই জলভরা সন্দেশ এবার জিআই (GI) স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে ভ্যাটিকানের পোপ, সকলেই এই মিষ্টির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সূর্য মোদক চন্দননগরের জলভরার স্রষ্টা।  নতুন জামাইকে বোকা বানানোর এক নিয়ম সেই সময় বেশ চালু ছিল। জানা যাচ্ছে, ১৮১৮ সালে ভদ্রেশ্বরের তেলেনিপাড়ার জমিদার বাড়ি থেকে সূর্য মোদকের কাছে আবেদন আসে জমিদার বাড়ির জামাইকে ঠকানো যাবে এমন একটি মিষ্টি বানাতে হবে।

Sponsored

Sranchi In Article

সেই অনুযায়ী, সূর্য মোদক তালশাঁস আকৃতির একটি সন্দেশ বানিয়ে ফেললেন। কিন্তু তার ভিতরে রস ভরে দেওয়াই ছিল পরিকল্পনা। সেই জলভরা সন্দেশ পাঠানো হয় জমিদার বাড়িতে। শোনা যায়, নতুন জামাই নাকি সন্দেশে কামড় দিতেই রস পড়ে যায় তাঁর দামি গরদের পাঞ্জাবিতে। সেই থেকেই জনপ্রিয় সেই মিষ্টি। এই মিষ্টির সঙ্গে যে বাংলার বহু প্রাচীন সামাজিক প্রথা জড়িয়ে রয়েছে সেই বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই।

Sponsored

Merlin In Article

বিশুদ্ধ ছানা ও চিনি দিয়ে সন্দেশের পাক এমন ভাবেই তৈরি হয় যাতে সন্দেশের ভিতরে তরল রস দিলেও সন্দেশ ভাঙবে না। গরমকালে সন্দেশের ভিতরে চিনির রস ও সুগন্ধি গোলাপ জলের মিশ্রণ, আমের রসও দেওয়া হয়। শীতকালে যদিও জলভরা মানেই ভিতরে থাকে খাঁটি নলেন গুড়ের রস। কিছুদিন আগেই তারকেশ্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর হাতে সেই মিষ্টি তুলে দিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। এই মিষ্টি খেয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীও। ব্যান্ডেল চার্চের ফাদারের মাধ্যমে রোমের ভ্যাটিকান সিটির পোপের কাছেও জলভরা কিন্তু পৌঁছে গিয়েছিল। অবশেষে সেই জলভরা সন্দেশ জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে যাতে খুশি রাজ্যবাসী। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অনেকটাই সহজ হবে। মিষ্টির আয়ু বাড়াতে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতকারকরা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিজ্ঞানের সাহায্যে এই সমস্যার সমাধান হলে বিশ্ববাজারে জমিয়ে খাওয়া হবে বাংলার জলভরা।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →