“একদম ছোট্ট ছোট্ট ফুলের মতো বাচ্চারা এই দুর্ঘটনার শিকার। সহানুভূতি কীভাবে দেখাব জানি না। এইটুকু বলব পরিবারের পাশে আছি। অর্থ দিয়ে এই ধরনের ক্ষতিপূরণ হয় না।“ মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরের কর্ণসুবর্ণ রেলগেটে ভয়াবহ পুলকার দুর্ঘটনায় স্বজনহারাদের পাশে দাঁড়িয়ে আবেগপ্রবণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার সকালে মুর্শিদাবাদের গোবিন্দপুর গ্রামে পৌঁছে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। স্বজনহারা পরিবারগুলিকে সহমর্মিতা দেখিয়ে তিনি বলেন, সরকার পাশে আছে। অভিযুক্ত গেটম্যানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এদিন শুভেন্দুর মুখে শোনা যায় ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের (Capital Punishment) কথাও! পাশাপাশি মৃতদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যা যা করণীয় সবকিছুই করা হবে।
এদিন সকালে হেলিকপ্টারে করে বহরমপুরের স্টেডিয়ামে পৌঁছে যান শুভেন্দু। সেখান থেকে সোজা চলে যান গোবিন্দপুরের দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে। উপস্থিত রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। রেল গেটের নিরাপত্তা বাড়ানোর দিকে জোর দেন। এরপর নিহত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মানবিক মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, “একদম ছোট্ট ছোট্ট ফুলের মতো বাচ্চারা এই দুর্ঘটনার শিকার। সহানুভূতি কীভাবে দেখাব জানি না। এইটুকু বলব পরিবারের পাশে আছি। অর্থ দিয়ে এই ধরনের ক্ষতিপূরণ হয় না। তবুও সরকারের দায়িত্ব কারণ সরকারের মানবিক। আমি পরিবারগুলোর সঙ্গে আছি। সকলের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছি। উপরওয়ালা এই পরিবারকে শক্তি দিন, যাতে এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারে।”
কর্তব্যরত গেটম্যানের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি পুলিশমন্ত্রী হিসেবে কথা দিচ্ছি, গেট ম্যানের চূড়ান্ত শাস্তি হবে। এটা ক্ষমার অযোগ্য।পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ দিচ্ছি, জেলে থাকাকালীন তদন্ত শেষ করতে। কাস্টডি ট্রায়াল করিয়ে ক্যাপিটেল পানিশমেন্ট যেন হয়। পুলিশ সুপার ডিআইজি দেখবেন। আমি MLA-কে বললাম দেখতে।” যারা প্রিয়জন হারিয়েছেন সেই অসহায় পরিবার গুলির পাশে থাকার জন্য গ্রামবাসীকে ও স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী।
















