ধর্মতলায় ছাত্র যুবদের আন্দোলনে ধুন্মুধার পরিস্থিতি এবং সাংবাদিকদের হেনস্থা নিয়ে বিধানসভায় কড়া বিবৃতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর(CM Suvendu Adhikari )। এই ঘটনায় মোট ৭টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে থানায়। হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু হয়েছে। এছাড়া, সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় ৫টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “সরকারের নির্দেশ ছিল প্রাথমিকভাবে কোনও বলপ্রয়োগ করা যাবে না। পুলিশ আন্দোলনকারীদের পাতা ফাঁদে পা না দেওয়ায় ধর্মতলায় জুতো জলের বোতল ছুড়ে আক্রমণ শুরু হয়। সাংবাদিকদের ইচ্ছাকৃত হেনস্থা করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা জানাচ্ছি। হেয়ার স্ট্রীট এবং এন্টালি থানায় সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৭০জন অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। এদের কেউই ছাত্র নয়।“
এরপরই সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আন্দোলনে ঢুকে পরেন বামপন্থী ছাত্র সংগঠন, যাদের কোনও অস্বস্তি নেই। আন্দোলনে যারা ছিলেন তারা কেউ কলেজ বিশ্ববিদ্যালেয়র ছাত্র নয়, তাদের সঙ্গে নিটের সম্পর্ক নেই। চারজন লোকের নাম বলছি, রাজাবাগানের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিদ, মোমিনপুরের তনভির ইকবাল চিহ্নিত করা হয়েছে। গুন্ডা দমন আইনে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুন্ডাদের এমন শাস্তি দেওয়া হবে তিন পুরুষ মনে রাখবে।“
একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমাকে চিফ হুইপ বললেন শাসক দলের পক্ষ থেকে বিধানসভায় আম্বেদকর মূর্তির সামনে সাংবাদিকদের হেনস্থার প্রতিবাদে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।আমি সেই কর্মসূচিকে সমর্থন করছি।“ উল্লেখ্য, দুপুর ১টার সময় কালো ব্যাচ পরে বিধানসভা থেকে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত মিছিল করবেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, আন্দোলন যাদেরই হোক, সাংবাদিকদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না।
গতকালই ধর্মতলার ঘটনার কড়া নিন্দা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
















