গুরুপূর্ণিমা তিথি উপলক্ষে বুধবার সকাল থেকেই ভক্ত-সমাগমে মুখরিত বেলুর রামকৃষ্ণ মঠ মিশন প্রাঙ্গণ (Ramakrishna Math Ramakrishna Mission, Belur)। শাস্ত্রে প্রত্যেক পূর্ণিমার বিশেষ তাৎপর্য আছে। আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা গুরুপূর্ণিমা (Guru Purnima) নামে পরিচিত। যদিও এই বছর শ্রাবণ মাসে এই তিথি পড়েছে। গুরুপূর্ণিমা দিনটি দীক্ষা প্রাপ্ত ভক্তদের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয়। এদিন সকাল থেকেই গুরু প্রণামের জন্য লম্বা লাইন বেলুড় মঠে (Belur Math)। জানা গিয়েছে সকালেই শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যাবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি মহারাজদের সঙ্গেও বেশ কিছুটা সময় কাটাবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটা তার দ্বিতীয় বার বেলুড় মঠ পরিদর্শন। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আজকের তিথির মাহাত্ম্য মাথায় রেখে কামারপুকুর ও জয়রামবাটিতেও ভক্তদের ভিড়।

এই গুরুপূর্ণিমা তিথির মাহাত্ম্য নিয়ে শাস্ত্র ও লোকাচারে একাধিক কাহিনী বর্ণিত আছে। পুণ্য তিথিতে মুনি পরাশর এবং মাতা সত্যবতীর গৃহে জন্মগ্রহণ করেন মহাভারত রচয়িতা মহর্ষি বেদব্যাস। মহর্ষি বেদব্যাসকে সর্বশ্রেষ্ঠ গুরু মেনে এই পুণ্য তিথি গুরু আরাধনার তিথি হিসাবে পালন করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, ভগবান বুদ্ধ বোধিজ্ঞান লাভের পর পুণ্য গুরুপূর্ণিমার তিথিতে তাঁর পাঁচ সঙ্গীকে মহা উপদেশ দান করেছিলেন। মঙ্গলবার রাত থেকেই পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়ে গেছে যা থাকবে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। গুরু দর্শন ও প্রণামের জন্য অন্যান্য মঠ ও আশ্রমগুলিতে ভক্ত- শিষ্যদের ঢল চোখে পড়ার মতো।