Site Logo

শ্রাবণী মেলার উদ্বোধনে আজ তারকেশ্বরে মুখ্যমন্ত্রী, চন্দননগরের আলোয় সেজে উঠছে শৈবতীর্থ

EBBS Desk··1 min read
শ্রাবণী মেলার উদ্বোধনে আজ তারকেশ্বরে মুখ্যমন্ত্রী, চন্দননগরের আলোয় সেজে উঠছে শৈবতীর্থ

রাজ্যে বিজেপি সরকার আসতেই জাতীয় উৎসবের মর্যাদা পেয়েছে তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলা। লক্ষ লক্ষ ভক্তদের বাবার মাথায় জল ঢালার অনুষ্ঠানের সূচনায় এবার তারকেশ্বরে উপস্থিত হতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। আজ দুপুরে তারকনাথের ধামে শ্রাবণী মেলার উদ্বোধন করবেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। সকাল থেকে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এবারের তারকেশ্বরের শ্রাবণী মেলার অন্যতম আকর্ষণ দুধপুকুরে বিশেষ লেজার লাইট শো। মন্দির প্রাঙ্গণের অপূর্ব আলোকসজ্জার নেপথ্যে হুগলি জেলার চন্দননগরের শিল্পীরা। 

Sponsored

Sranchi In Article

গোটা শ্রাবণ মাস জুড়ে প্রতিদিন তারকেশ্বর মন্দিরে জল ঢালতে যান শৈব ভক্তরা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন প্রতি সোমবার জল যাত্রীদের মাথায় পুষ্প বৃষ্টি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতি পাঁচ কিলোমিটার অন্তর থাকছে বিশেষ সেবা কেন্দ্র। সাধারণত শেওড়াফুলির নিমাইতীর্থ ঘাট থেকে জল নিয়ে বাঁকে বা মাথায় করে তারকেশ্বরে যান ভক্তরা। সেইমতো শেওড়াফুলি-বৈদ্যবাটি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত গোটা রাস্তা জুড়ে আলোকমালা সজ্জিত। গত কয়েকদিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন চন্দননগরের শিল্পীরা। একাধিক শিল্পী কয়েক লক্ষ টাকার কাজ পেয়েছেন। হাসি ফুটেছে তাঁদের মুখে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা নতুন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আলোক শিল্পীরা। চন্দননগরের শিল্পী জয়ন্ত দাসের কথায়, 'তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলায় চন্দননগরের আলো যাওয়ার জন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাই। পূর্বতন সরকার আমাদের জন্য খুব একটা চিন্তাভাবনা করেনি। এই সরকারকে নিয়ে আমরা আশাবাদী।' জল যাত্রীরা যে রাস্তা ধরে যাবেন সেগুলো বিভিন্ন আলোয় সাজানো হচ্ছে।শুধু তাই নয়, তারকেশ্বর মন্দির ও শিবের মূর্তি ত্রিশূল ডমরু-সহ বিভিন্ন অবয়বও আলোর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সাজানো হয়েছে রাস্তার দুপাশের গাছগুলিকেও।

Sponsored

Merlin In Article

তারকেশ্বরে এ বছরের শ্রাবণী মেলার অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ দুধপুকুরে লেজার শো। যেখানে আলোর খেলার পাশাপাশি শিবের নানা রূপ ফুটিয়ে তোলা হবে।মন্দির চত্বর থেকে গোটা যাত্রাপথের একাধিক জায়গায় বসানো হচ্ছে এলইডি আলোর গেট, বিভিন্ন ধর্মীয় মোটিফ। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে চারটি বিশাল আলোর গেট তৈরি করা হচ্ছে। কৈকালা থেকে তারকেশ্বর মন্দির পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রাস্তার আলোকসজ্জার দায়িত্ব পেয়েছেন চন্দননগরের শিল্পী মনোজ সাহা।আলোক শিল্পী দীপক সাউয়ের কারখানায় তৈরি হচ্ছে ৮ ও ১২ ফুট উঁচু ত্রিশূল, ডমরু এবং কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে আলোর গেট। সর্বত্রই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →