শক্তি পরীক্ষার দিন ছিল। আর জনসমর্থনে বলে বলে ঋতব্রত শিবিরকে ডজন ডজন গোল দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banarjee)। মঙ্গলবার, বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে তৃণমূলের শহিদ স্মরণের সভাস্থলে যখন উপচে পড়ছে ভিড়, তখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভামঞ্চ প্রায় ফাঁকা। দেখা গেল সভা শুরু আগেই সভাস্থল ছাড়ছেন কর্মী-সমর্থকরা। পাশাপাশি, শহিদ মিনার ময়দানে কংগ্রেসের ‘শহিদ সমাবেশে’ কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়ছে।
এবার শহরের তিন জায়গায় ২১ জুলাই শহিদ সমাবেশ হচ্ছে। ভিড়ের নিরিখে তারামণ্ডলের সামনে মমতা-পন্থী তৃণমূলের সভা সব থেকে এগিয়ে। ক্যাথিড্রাল রোডের পুরো ভরে গিয়েছে। পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। তারামণ্ডলের সামনে মমতার সভাতেই যাচ্ছেন তৃণমূলকর্মীরা। ট্রেনে, বাসে, মেট্রোয় মমতাপন্থী তৃণমূলের সভায় কর্মী-সমর্থকরা পৌঁছন। কোন তৃণমূলের সভায় যাবেন? প্রশ্ন শুনেই তাঁদের বক্তব্য, “অবশ্যই দিদির সভায় যাব। দিদি ছাড়া অন্য কিছু বুঝি না। বিজেপির বি টিমের সভায় যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”
শহিদ মিনার ময়দানে কংগ্রেসের ‘শহিদ সমাবেশে’ কর্মী-সমর্থকরাও ভিড় বাড়ছে। তবে মাঠ পুরোপুরি ভরেনি। কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগে ঘটনার নিন্দা করে পুলিশকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার আর্জি জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। কংগ্রেসের মঞ্চে প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা ছাড়াও রয়েছেন দীপা দাশমুন্সি, ইমরান প্রতাপগরি, পবন খেরা এবং উদয়ভানু চিবও।
তবে, মেয়ো রোডে ঋতব্রত তৃণমূলের সভায় এখনও খুব বেশি কর্মী-সমর্থকের দেখা মেলেনি। অধিকাংশ চেয়ারই ফাঁকা রয়েছে।
















