শমীক ভট্টাচার্যের পর এবার দিলীপ ঘোষ। ক্ষমতায় আসার পরই যেভাবে দলীয় নেতা-কর্মীরা তোলাবাজিতে জড়িয়ে পড়ছেন তা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীও। তৃণমূল আমলে তোলাবাজি নিয়ে বার বার সরব হত বিজেপি। পালাবদলের পর শাসক বিজেপি শিবিরের একাংশের মধ্যেও যে সেই রোগ ঢুকেছে তা ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মধ্যেই কার্যত মেনে নিলেন দিলীপ।

রবিবার নিউটাউনে ইকো পার্কে মনিং ওয়াক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ মেনে নিলেন দলের একাংশ তোলাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছে। তাঁর কথায়, “তোলাবাজির সংস্কৃতি এত তাড়াতাড়ি উঠে যাবে এটা ভাবার কোনও কারণ নেই।  আমাদের বহু নেতা আছে, যারা এই মধুতে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে, দল গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখছে। দলের মধ্যে আলোচনাও হচ্ছে । পুলিশকে বলা হয়েছে, অভিযোগ আসলেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এরা খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছে যারা মানুষকে কষ্ট দিয়েছিল তাদের সঙ্গে। মানুষ যে উদ্দেশ্য বদল করেছে সেটা যেন আমরা ভুলে না যাই।”

 

শনিবার রবীন্দ্র সদনের অনুষ্ঠানে কবি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে উঠতে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বর্তমান সরকার তাসলিমা নাসরিনকে ফিরিয়ে এনে সম্মান দিয়েছে। তবে যাঁরা একসময় তাঁকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তাঁদের কেন একই মঞ্চে সম্মান দেওয়া হবে, সেই প্রশ্ন থেকেই সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ করেছে। যারা নিজেদের সেকুলার ও বাঙালির প্রতিনিধি বলে দাবি করতেন, তাঁরা তাসলিমার পাশে দাঁড়াননি। একজন লেখিকার লেখার সঙ্গে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তাঁকে দেশছাড়া বা রাজ্যছাড়া করা ঠিক নয়। 

 শনিবার ছিল দিলীপ ঘোষর জন্মদিন, রবিবার ইকো পার্কে প্রাতভ্রমণকারীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেকও কাটেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী।