Site Logo

একা শমীকের সিদ্ধান্ত নয়, রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন: ৩ যোগদান নিয়ে অকপট দিলীপ

EBBS DESK··1 min read
একা শমীকের সিদ্ধান্ত নয়, রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন: ৩ যোগদান নিয়ে অকপট দিলীপ

“তৃণমূলের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ। কারণ, তারা চোর”- ভোটের আগে এই লব্জ বিজেপি নেতাদের মুখে সব সময়ই শোনা যেত। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও (Shamik Bhattacharya) বলেন, দলবদলুদের জন্য গেরুয়া শিবিরে জায়গা নেই। তবে, ভালো তৃণমূলের জন্য জায়গা ছেড়ে রেখেছিলেন তিনি। আর সেই ফাঁক গলেই পদ্ম শিবিরে নাম লেখান তৃণমূলের প্রাক্তন ৩ সাংসদ। আর তাঁদের সেই রাতেই রাজ্যসভার প্রার্থী করে বিজেপি (BJP)। এই নিয়ে যখন শমীকের দিকে ধেয়ে আসছে কটাক্ষ, তীর্যক মন্তব্য, তখন তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বর্তমানে রাজ্যে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip  Ghosh)। সংসদীয় রাজনীতির অঙ্ক বুঝিয়ে তাঁর অকপট স্বীকারোক্তি, বিল পাশ করাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার কেন্দ্রীয় সরকারের। সেই কারণে সমর্থন যাঁরা করবেন, তাঁদের নিচ্ছে দল। আর এই সব সিদ্ধান্তের জন্য একা শমীককে দায়ী করা উচিৎ নয়, কারণ একা তাঁর সিদ্ধান্ত এটা নয়। 

Sponsored

Sranchi In Article

শমীকের হাতে থেকেই পতাকা দিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তৃণমূল থেকে যাওয়া প্রাক্তন তিন রাজ্যসভা সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় (Sukhendu Shekhar Ray), প্রকাশ চিক বরাইক এবং সুস্মিতা দেব (Susmita Dev)। আর তারপরেই রাতে তাঁদের রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা করে পদ্মশিবির। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল শোরগোল। বিরোধীরা কটাক্ষ করে। বিজেপির প্রবীণ নেতৃত্ব প্রকাশ্যেই এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। নিশানা করা হয় রাজ্য সভাপতি শমীককে। 

Sponsored

Merlin In Article

শনিবার, প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে শমীকের পাশে দাঁড়িয়ে সত্যি ফাঁস করলেন দিলীপ। তিনি সাফ জানান, “শমীক ভট্টাচার্য তো এই ব্যাপারে একা সিদ্ধান্ত নেন না। পার্টির কেন্দ্রীয় স্তরেরও মতামত আছে। উনি শুধু নির্দেশ পালন করেছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির গতিবিধির বিপরীতে এটা হয়েছে। সেই জন্যই তাঁকে টার্গেট হতে হয়েছে।“

Sponsored

Shyam Sundar In Article

এর পরেই সংসদীয় রাজনীতির অঙ্ক বুঝিয়ে দেন দিলীপ। জানান, “কেন্দ্রীয় সরকারকে যদি কাজ করতে হয়, তাহলে আমাদের মেজরিটি লাগবে। যাঁরা রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদ ছিলেন কেবল সিম্বল পাল্টে আমাদের সিম্বলে থাকবেন। সুখেন্দু বাবু গুণী লোক। সংসদে আমার সঙ্গে কয়েকবার দেখা হয়েছে। তাঁকে কেউ বদমাশ বলবে না।“

Sponsored

Camelia In Article

দিলীপের কথায়, “সুখেন্দুবাবুই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি আমাদের মতো তৃণমূল কংগ্রেসের নীতির বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁকে সাসপেন্ডও হতে হয়েছিল।“

Sponsored

Techno India In Article

তৃণমূল বারবার অভিযোগ করেছে, রাজ্য বিজেপি ক্ষমতায় এলে, সরকার চলবে দিল্লি থেকে। কারণ, বাংলার বিজপির রাশ দিল্লির হাতে। এদিন দিলীপ ঘোষের মন্তব্য কার্যত সেই অভিযোগেই সিলমোহর দিল। রাজনৈতির মহলের মতে, গেরুয়া শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা যা চাইছেন, তাই কর্যকর করছেন। রাজ্য সভাপতি হিসেবে শমীক ভট্টাচার্য বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী তাহলে কতটা স্বাধীন!

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →