প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের 'সারপ্লাস' বদলির প্রক্রিয়ায় বড় ধাক্কা। বুধবার কলকাতা হাই কোর্ট এক অন্তর্বর্তী নির্দেশে জানিয়েছে, এখনই জোর করে বা নতুন নিয়ম মেনে কাউকে ‘সারপ্লাস’ বদলি করা যাবে না। বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বদলির এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
আরও পড়ুন: ডেডলাইনের আগেই ভুল স্বীকার! কী বললেন মার্ক জুকারবার্গ
২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী, আদর্শ নিয়ম হলো প্রতি ৩০ জন পড়ুয়ার জন্য ১ জন করে শিক্ষক থাকা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের বহু প্রাথমিক স্কুলেই ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে ব্যাপক ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। কোথাও ছাত্রের তুলনায় শিক্ষক বেশি, আবার কোথাও শিক্ষকের আকাল। এই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতেই রাজ্য সরকার ‘সারপ্লাস’ বদলির সিদ্ধান্ত নেয়।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ডিলিটে মেটাকে চরম আল্টিমেটাম! ক্ষমা চাইতে হবে জুকারবার্গকে
এই উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার সম্প্রতি দুটি আদর্শ কার্যপদ্ধতি (SOP) প্রকাশ করে—প্রথমে ১৫ জুলাই এবং পরে ২৪ জুলাই নতুন এসওপি আনা হয়। ইচ্ছুক শিক্ষকদের পাশাপাশি অন্যদেরও এই নিয়মে বদলি করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এই এসওপি-র কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম, বিশেষ করে বদলির ক্ষেত্রে বয়সের মাপকাঠি বা অগ্রাধিকার পাওয়া নিয়ে শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়। বয়সের ভিত্তিতে নাকি কর্মজীবনের মেয়াদের ভিত্তিতে প্রাধান্য দেওয়া হবে, তা পরিষ্কার না থাকায় মামলাকারীরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন।
















