দিল্লির ককরোচদের সমর্থনে উত্তাল কলকাতা। কার্যত বহুদিন পর এইরকম ছাত্র-যুব আন্দোলনের সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা। সিজেপির এই আন্দোলনকে ইস্যু করে বাম ছাত্র সংগঠনগুলো নতুন করে উজ্জীবিত হতে শুরু করেছে। শুক্রবারের এই ছাত্র আন্দোলনের দাবি একটাই, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এক বিশাল মিছিলের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি। তবে এমন উপচে পড়া ভিড় হবে তা কল্পনাই করতে পারেনি পুলিশ-প্রশাসন।
এর আগে অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলি আন্দোলনের ডাক দিলেও তার অনুমতি মেলেনি। কিন্তু এদিনের বামদের ডাকা এই বিশাল মিছিলে সব মিলে মিশে এক হতে দেখা যায়। নিট প্রশ্নফাঁস থেকে সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের দাবিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে যন্তরমন্তরে আন্দোলনে নামে 'আরশোলা'-রা। অনশনে নামেন লাদাখের পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তারপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উত্তাল হওয়া শুরু করে।
শুক্রবার দিল্লিতে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে CJP-র প্রতিনিধিত্ব করেন দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা বৈঠক। চাপের মুখে ককরোচের ২ দাবি মানলেও প্রধানের ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রের প্রয়োজন বলে জানিয়ে দিয়েছে। দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের ভিপি রুমে দুই পক্ষের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রশ্নফাঁস রোধ সংক্রান্ত নিজেদের প্রস্তাব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের হাতে তুলে দেন CJP প্রতিনিধি সৌরভ ও আশুতোষ রাঙ্কা।
















