শুক্রবার বর্ধমানের রেনেসাঁ টাউনশিপ থেকে  ধরা পরেছে জঙ্গি হামিদ মণ্ডল। STF সূত্রের দাবি, সে পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI- এর সঙ্গে যুক্ত। তাঁর সঙ্গে কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর যোগাযোগ ছিল বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ। স্পর্শকাতর ইস্যুতে রাজনীতি নয় বরং মুখ্যমন্ত্রীসহ রাজ্যের সবার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি তুলল বিরোধী তৃণমূল।

 

বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ শুক্রবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন,  “এটা অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। কাশ্মীর ভারতের একেবারে পশ্চিম দিকে বাংলা একেবারে পূর্ব দিকে। কিন্তু এই কানেকশনওলা লোকেরা এতগুলো রাজ্য পেরিয়ে কীভাবে বাংলায় আসছে? যখন অন্য রাজ্য পেরিয়ে আসছে তখন কেন ধরা হচ্ছে না ভারতবর্ষের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হবে এবং গোয়েন্দাদের আরও সতর্ক থাকা উচিত ছিল।“

এখানেই থেমে না থেকে কুণাল ঘোষ আরও বলেন,  “এখন যেটা শোনা যাচ্ছে কাউকে নির্দিষ্ট প্ল্যান করে তারা এসেছিল। এটা অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়, এটা নিয়ে রাজনীতি করার বিষয় নয়। এটা এই বিষয়ে রাজনৈতিক কোন মন্তব্য করব না। এটা বামফ্রন্ট জমা থেকে দেখা গিয়েছে এই ধরনের জঙ্গিদের গতিবিধির একটা কেন্দ্র ছিল পশ্চিমবঙ্গ। জঙ্গিরা এই রাজ্যকে করিডর  হিসেবে ব্যবহার করেছে। বউবাজারে বাড়ি থেকে আরডিএক্স পাওয়া গেল , এমনকি বরানগরে আরডিএক্স পাওয়া গেল যা অসমে জঙ্গিদের কাছে যাচ্ছিল। এই ঘটনা পরবর্তীকালে কিছুটা কমেছিল। এখন যদি এখানে কেউ গা ঢাকা দিয়ে থাকে পুলিশ তাদের ধরে তাহলে তদন্তে সবটাই উঠে আসবে। সংসদের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন ভারতের ১৪টা শহরে এই ধরনের জঙ্গিদের গতিবিধি পাওয়া গেছে।“ 

 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধি সংক্রান্ত নানা তথ্য জঙ্গিদের ডেরা থেকে মিলেছে। এই প্রসঙ্গে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “এটা অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয় শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার টার্গেট করে এখানে এলে সেটা অত্যন্ত উদ্বেগের এবং নিন্দার। কিন্তু এই ধরনের জঙ্গি সংগঠনগুলির সাধারণ মানুষকে খুন করে দেয় তারা যেখানে সেখানে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। সেনা জওয়ানদের মেরে দিয়ে গেল পুলওয়ামায়। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা উচিত এমন কি এটাও দেখা উচিত যাতে কোনও সাধারণ মানুষ বা সেনার প্রাণ না যায়।“