বীরভূমের এক বাসচালকের বাড়ি থেকে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল অঙ্কের নগদ ও সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শোনা যাচ্ছে তিনি আবার একদা বীরভূমের একটা দাপুটে নেতা এক বেইমান-ঘনিষ্ঠ। এই খবর সামনে আসতেই তীব্র কটাক্ষ করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল বলেন, এখন তো বোঝাই যাচ্ছে, এই সব গুপ্তধন ধামাচাপা দিতেই কেউ কেউ রাতারাতি'ভালো' হয়ে উঠতে চাইছেন। ভাল হওয়ার নাটক করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরত্ব তৈরি করে বিজেপিকে খুশি করতে যাওয়া, বিজেপির দালালদের দলে নাম লেখানোর চেষ্টা করছেন। 

কুণাল আরও বলেন, কোথাও যদি অবৈধ টাকা, অবৈধ সোনা পাওয়া যায়, তার জন্য নিশ্চিত ভাবে যা যা আইনি ব্যবস্থা আছে, সে সব চলবে, এর মধ্যে কেন রাজনীতি আসবে? কিন্তু এই ঘটনায় যে সব নাম উঠে আসছে, সেখানে তো সব তো ভাল হয়ে যাওয়া লোকজনের ডান হাত বা বাঁ হাত বলে শোনা যাচ্ছে। যারা এখন ‘ভাল’ হয়ে যাওয়া লোকজন তাদের বাড়ি থেকে যদি এখন এই সব অবৈধ টাকা, অবৈধ সোনা পাওয়া যায়, তাহলে আইন আইনের পথে চলুক, সমস্যা নেই। কিম্তু সেখানে তো সেই প্রশ্নই উঠবে, এই সব গুপ্তধন ধামাচাপা দিতেই কি অনেকে ‘ভাল’ হয়ে যাচ্ছেন কি না সেটা তো দেখতে হবে। তারা এখন ভাবছেন ‘ভাল’ হয়ে গেলেই এই সব আইনি ঝামেলা থেকে বাঁচা যাবে। তাই আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, কেউ যদি অবৈধ টাকা রাখে ব্যবস্থা হোক, অবৈধ সোনা রাখে ব্যবস্থা হোক। এখন এর সঙ্গে ডালপালায় যে সব নাম আসছে, তাদের ন মধ্যে এই গুপ্তধন ‘গুপ্ত’ রাখার কোনও আকুতি কাজ করছে কি না সেটাও দেখা হোক।