Site Logo

বিধানসভায় পেশ ‘গুন্ডা দমন বিল‘, সংশোধনের জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর আর্জি কুণালের

EBBS DESK··1 min read
বিধানসভায় পেশ ‘গুন্ডা দমন বিল‘, সংশোধনের জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর আর্জি কুণালের

সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে বিধানসভায় পেশ হল ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’ এককথায় ‘গুন্ডা দমন বিল‘। সোমবার, এই বিল নিয়ে আলোচনার শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikari) বলেন, “হরগোবিন্দ দাসের স্ত্রী গ্যালারিতে বসে রয়েছেন। এই বিল কেন প্রয়োজন তিনিই উদাহরণ।“ আর এর পরে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (TMC MLA Kunal Ghosh) গুন্ডা দমন বিলকে পূর্ণ সমর্থন করে বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। 

Sponsored

Sranchi In Article

জনগণের নিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে বিজেপি সরকার (BJP Government) যে নতুন বিল (West Bengal Public Safety and Control of Antisocial Activities Bill 2026) এনেছে আগেই তাকে ব্রিটিশের রাওলাট আইনের ২০২৬ সংস্করণ বলে কটাক্ষ করেন কুণাল। এদিন, নিজের বক্তব্যে ফের সেই কথা উল্লেখ করে বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন, এই বিলে পূর্ণ সমর্থন করেও বলছি, বিলের কিছু কিছু অংশ ব্রিটিশের রাওলাট আইনের ২০২৬-এর সংস্করণ। সেগুলি বদলের প্রস্তাব দেন কুণাল। তাঁকে শুধু প্রস্তাবটি বলতে বলেন স্পিকার। কুণাল (TMC MLA Kunal Ghosh) জানান, বিলটির সংশোধনের জন্যে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি। 

Sponsored

Merlin In Article

বিলের পক্ষে বিধানসভায় পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ বলেন, “যাঁরা মনে করেন সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা কোনও অপরাধই নয়, তাদের ভুল ভাঙার সময় এসেছে। ১৫ বছর ধরে লুট, সন্ত্রাস, রাহাজানি হয়েছে। সিএএ, ওয়াকফের নামে বাংলায় নৈরাজ্য হয়েছে। এরাজ্যের শাসকদল শাহাজাহানদের মতো গুন্ডাদের পুষত। কোটি কোটি টাকার বিছানায় ঘুমোতেন তৃণমূলের নেতারা।” শংকরের কথায়, “গরিবের টাকা যাঁরা শোষণের চেষ্টা করবেন, তাঁদের শাস্তি দেওয়ার জন্যই এই বিল অত্যন্ত দরকার। সরকারি সম্পত্তির দিকে চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাবে না আর। আমরা এমনই ব্যবস্থা করছি। এই বিলের মাধ্যমে পুলিশকে টেবিলের তলা থেকে বের করে গুন্ডাদের টেবিলের তলায় ঢোকানোর সময় এসেছে।”

Sponsored

Shyam Sundar In Article

পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল গুন্ডাদমন বিলের পক্ষে বলেন, “যে সরকার ভোট পরবর্তী হিংসা অপরাধ নয়, যে দলের নেতার গাড়ির বনেটে দাঁড়িয়ে ডিজে বাজানোর হুমকি দেয়। তাঁদের হাতে বাংলার শাসনের দায়িত্ব ছিল। এ যেন ঠিক বিড়ালকে মাছ পাহারা দেওয়ার মতো ঘটনা।”  

Sponsored

Camelia In Article

এই বিলর বিরোধিতা করে ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “বিলে বলা হচ্ছে সন্দেহের ভিত্তিতে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা মত প্রকাশ করলে সন্দেহ করা হবে না তো? সত্যি সত্যি যাঁরা দোষী, তাঁদের গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া হোক। নির্দোষরা যাতে কোনওভাবেই এর জন্য ভুক্তভোগী না হয়।” কুণালের পাশাপাশি নওশাদও বিল সিক্রেট কমিটির কাছে পাঠানোর আবেদন জানান।

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →