পরিত্যক্ত চিটফান্ড অফিস দখল করে শাসকদলের প্রভাব খাটিয়ে রমরমিয়ে চলছে চরম বেআইনি কারবার! বাদুড়িয়ার প্রাণকেন্দ্রে বিজেপির মদতে চলা এই চক্রকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। খোদ একটি জাতীয় দলের ছত্রছায়ায় কীভাবে দিনের পর দিন এই ধরনের  কার্যকলাপ চলতে পারে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।  প্রশাসনের ভূমিকাও এবার আতশ কাঁচের তলায়।

এই বিপুল অঙ্কের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের খবর ছড়াতেই স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন। প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে একটি পরিত্যক্ত সরকারি বা আইনি জট থাকা সম্পত্তিকে ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক চাপের কারণেই হয়তো পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অনুপ্রেরণাতেই কি তবে এই কর্মকাণ্ড হচ্ছে?

জনসেবা মানে কি তবে বিজেপি আর তাদের নেতাদের রাজনৈতিক এটিএম? বাদুড়িয়ার এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। পরিত্যক্ত একটি চিটফান্ড অফিসেই দলীয় প্রভাব খাটিয়ে চলছে যেভাবে অবৈধ কারবারের রমরমা চলছে তাতে বাংলার ভবিষ্যৎ যে খুব একটা সুখকর নয় তা বোঝাই যাচ্ছে। শাসকদলের ক্ষমতার অপব্যবহার করে আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে সমস্ত বেআইনি কাজ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির নেতারা দুর্নীতির আঁতুড়ঘরে পরিণত করেছে সমগ্র বাংলাকে। বাংলার মানুষ সব দেখছে, পরিবর্তনের মুখোশ পরা এই সিন্ডিকেটের জবাব বাংলার মানুষ দেবেন।