ধর্মতলায় সাম্প্রতিক হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ধৃতদের খালি পায়ে হাঁটিয়ে প্রকাশ্যে নিয়ে গিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ করিয়েছে পুলিশ। গোটা বিষয়টি দিনের আলোয়, ক্যামেরার সামনে স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হয়েছে। কিন্তু ধর্মতলার ক্ষেত্রে যে পুলিশি সক্রিয়তা দৃশ্যমান, বারুইপুরের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সেই পদক্ষেপ দেখা যায়নি কেন? সোমবার ধর্মতলার ঘটনাপ্রসঙ্গ টেনে ফের বারুইপুরের এনকাউন্টার কাণ্ড নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

সোমবার ধর্মতলায় ধৃত আসামিদের প্রকাশ্যে রিকনস্ট্রাকশনে নিয়ে যাওয়ার পুলিশি উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে কুণাল বলেন, ‘‘যাঁরা এই ধরনের গুণ্ডামি করেছেন, সাংবাদিকদের মেরেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে এই ধরনের কড়া পদক্ষেপই করা উচিত। এতে আমার বিরোধিতা করার কিছু নেই। কিন্তু ধর্মতলার অভিযুক্তদের বেলায় যখন দুপুরবেলা প্রকাশ্যে, সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে অপরাধের পুনর্নির্মাণ করানো গেল, তখন বারুইপুরের ধর্ষণ-খুনের অভিযুক্তকে মাঝরাতে কেন নিয়ে যাওয়া হলো? সেখানে কেন দিনের আলোয় ক্যামেরার সামনে রিকনস্ট্রাকশন করানো হলো না? যে এনকাউন্টারের গল্প শোনানো হলো, তার কোন ভিডিও নেই কেন?’’ 

পুলিশের রিভলভার কেড়ে নেওয়া, গুলিবর্ষণ ও পাল্টা এনকাউন্টারের ঘটনা নিয়ে বারুইপুর পুলিশের যে দাবি, তা নিয়ে কুণাল আরও বলেন, ‘‘সব ঘটনার পুনর্নির্মাণ যদি প্রকাশ্যে ক্যামেরার সামনে হতে পারে, তবে বেছে বেছে শুধু বারুইপুরের ক্ষেত্রটিই কেন রাতের অন্ধকারে ঘটল? যার কোনও আগাম খবর মিডিয়ার কাছে ছিল না, ছিল না কোনও ছবি বা ভিডিও প্রমাণও।’’