রাজ্যের অর্থনীতির হাল, রাজস্ব বৃদ্ধি এবং বকেয়া নিয়ে ক্যাগ (CAG) রিপোর্ট পেশ করলেন বাংলার অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। শনিবার বিধানসভায় রাজ্যের রাজস্ব বাড়ানোর রূপরেখাও পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়াও আগের তৃণমূল সরকারের বকেয়া থাকা ২৮টি ক্যাগ রিপোর্ট পেশ করেন। তিনি জানান, আগামী দিনে এই রিপোর্টগুলি নিয়ে একটি বিশেষ বিধানসভা অধিবেশন ডেকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
বিধানসভায় বাংলার রাজস্ব বাড়ানোর রূপরেখা, CAG রিপোর্ট পেশ করে কী দাবি অর্থমন্ত্রীর
Sponsored

রাজ্যের আয় বাড়ানো নিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা না চাপিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর পথ খুঁজছে সরকার। প্রফেশনাল কর না বাড়িয়ে সরকারি খরচ সীমাবদ্ধ রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দ্বৈত করের (Double Taxation) বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো হচ্ছে না বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী জানান, রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ছে। ইনফরমাল সেক্টরকে ফরমাল সেক্টরে এনে রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা চলছে। বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী রাজ্য থেকে রাজস্ব ১৮% পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগে খনিজ ক্ষেত্রকে যে আয়কর ছাড় দেওয়া হয়েছিল, এবার তা পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। অন-গোয়িং প্রজেক্টগুলিতে AI ও উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া এবং নজরদারি বাড়িয়ে ব্যবসা ও জিএসটি (GST) সংগ্রহ বৃদ্ধির ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে।
বিগত সরকারের জমানায় কেন ক্যাগ রিপোর্টগুলি বিধানসভায় পেশ করা হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলে শনিবার বিধানসভায় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, "সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই সরকারের দায়িত্ব এই রিপোর্ট পেশ করা। কোনও অজানা কারণে তা বিগত দিনে হয়নি। আমরা সেই ত্রুটি সংশোধন করে আজ একসঙ্গে ২৮টি ক্যাগ রিপোর্ট পেশ করলাম।" তিনি বলেন আগের সরকারের জমানায় ৮ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতি আছে। ঠিক কোন কারণে এই ঘাটতি নিয়ে অন্য কোনও দিনে আলোচনা করা হলে সবাই আসল কারণ জেনে যাবেন।
এর আগে গত ২২ জুলাই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ক্যাগ রিপোর্ট পেশের গুরুত্ব জানিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। আমফান ত্রাণ দুর্নীতি, একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা এবং স্কুল শিক্ষা ও পুর-নগরোন্নয়ন দফতরের নানা প্রকল্পের হিসাব নিয়ে অতীতে ক্যাগের যে সমস্ত তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়েছিল কিন্তু প্রকাশ্যে আনা হয়নি, তা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। দুর্নীতির প্রমাণ মিললে যত বড় নেতাই হোন না কেন, এফআইআর (FIR)-এর সুপারিশ করার কথাও জানানো হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

More from রাজ্য
View All →
হাওড়ায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে ছিনতাই লক্ষাধিক টাকার গয়নার ব্যাগ
12h ago

শসা চাষে ভর্তুকি সংক্রান্ত কেলেঙ্কারিতে জড়িত উচ্চশিক্ষা দফতরের নতুন সচিব
13h ago

ধর্মতলায় ছাত্র যুবদের আন্দোলনে অশান্তি নিয়ে কড়া বিবৃতি মুখ্যমন্ত্রীর, গুন্ডা দমন আইন প্রয়োগের ঘোষণা
15h ago

সপ্তাহ শেষে কিছুটা স্বস্তি কলকাতায়! কেমন থাকবে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া?
16h ago

ধর্মতলার ছাত্র-বিক্ষোভে আক্রান্ত সাংবাদিকরা! হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
1d ago







