তোলাবাজি বন্ধে বিজেপি (BJP) কর্মীদের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পর এবার বিজেপিতে তৃণমূলীকরণের বিরোধিতা পদ্মদলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya)। দলীয় কর্মীদের স্পষ্ট জানালেন, দলের নিচুতলায় বহু মানুষ তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) আসতে চাইছেন। এক শ্রেণির বিজেপি কর্মীদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বুঝতে হবে যে তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। পরাজিত দলের সদস্যরা শাসক দলে থাকলে এটা বিজেপির জন্য মোটেই সঠিক হবেনা।
শনিবার দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন শমীক। রাজ্যে পালাবদলে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর প্রথমেই বলে দেওয়া হয়েছিল যে তৃণমূল থেকে কাউকে বিজেপি তে নেওয়া হবে না। কিন্তু যেভাবে জোড়াফুলের সাংসদ-বিধায়করা বিজেপির বি টিম হিসেবে কাজ করছে তাতে এটা পরিষ্কার যে রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি বিরোধীশূন্য সরকার চালাতে চাইছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে অনেকেই পদ্মদলে যোগদান করেছে। অনেকের বিরুদ্ধে তোলাবাজি অভিযোগ করতে শুরু করেছে। শমীক বলেন, 'দুমাস হচ্ছে একটা সরকার তৈরি হয়েছে যদি বলি সব তোলাবাজি বন্ধ করতে পেরেছি তাহলে ভুল বলছি সহজে টাকা রোজগারের একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য সব জায়গাতেই মানুষ ঢুকতে চাইছেন।' কিন্তু দুর্নীতি করলে ডিমের অভিমুখ বদলাতে যে সময় লাগবে না তা নিয়ে সতর্ক করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এদিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “দু-একটি জায়গায় ছোটখাটো বিচ্যুতি আছে কর্মীদের। তাঁরাই নিজেদের সংশোধন করে নেবেন। বিজেপির তৃণমূলীকরণ হয় না, হলে সেটা আর বিজেপি থাকবে না। সুতরাং, এটা হবেই না।” পাশাপাশি দলেরই একাংশকে নাম না করে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, কেউ কেউ নিজেদের স্বঘোষিত কাউন্সিলর করে ফেলেছেন এলাকায় এলাকায়। এসবের ফলে আখেরি যে বিজেপির ক্ষতি হচ্ছে এদিন সেটাই ভালো করে বুঝিয়ে দিতে চাইলেন শমীক।
















