এখনই প্রার্থী নিয়ে কিছু বলব না! মেচেদা থেকে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের গুরুদায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি এবার দলীয় সংগঠনেও প্রত্যক্ষভাবে রাশ ধরতে শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় জেলার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি হাইভোল্টেজ সাংগঠনিক বৈঠক সারেন তিনি। সেই মঞ্চ থেকেই নন্দীগ্রাম বিধানসভার আসন্ন উপনির্বাচন নিয়ে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী দু'মাসের মধ্যেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
Sponsored

রবিবার মেচেদায় দীর্ঘক্ষণ ধরে এই সাংগঠনিক বৈঠক চলে। প্রথমে তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির জনপ্রতিনিধি ও মণ্ডল কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, মন্ত্রী হরেকৃষ্ণ বেরা, অশোক দিন্দা, বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী, সিন্টু সেনাপতি, নির্মল খাঁড়া, সুভাষচন্দ্র পাঁজা, প্রদীপ বিজলী-সহ জেলার একাধিক শীর্ষস্থানীয় জনপ্রতিনিধি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক কড়া মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।
Sponsored

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে কলকাতার ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হওয়ায় নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে। আর সেই উপনির্বাচনকে সামনে রেখেই এদিনের সভা থেকে মেদিনীপুরের মাটির নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তির খতিয়ান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। রীতিমতো তথ্য-পরিসংখ্যান দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, “বর্তমানে জেলা জুড়ে আমাদের পক্ষে ৫৬ শতাংশ ভোট রয়েছে। আগামী দিনে পূর্ব মেদিনীপুরে যে কোনও নির্বাচন হলেই এই ভোট শতাংশ এক লাফে ৭০-এ গিয়ে পৌঁছাবে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় যাবে যে, বিরোধীরা লড়াই করার জন্য প্রার্থী দেওয়ার লোক পর্যন্ত খুঁজে পাবে না।”
Sponsored

তৃণমূলের বর্তমান সাংগঠনিক পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “স্থানীয় স্তরে নির্বাচনের ক্ষেত্রে কালীঘাট তৃণমূল আর ঋতুব্রত তৃণমূলের অবস্থা এক। প্রত্যেকের বেহাল দশা। ভোটে দাঁড় করানোর লোক পাবে না। রাজ্যে এখন তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ হয়েছে দাবি করে শুভেন্দুর বার্তা, “রাজ্যে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। আর একটু সময়, ধৈর্য ধরুন।” এদিনের সাংগঠনিক বৈঠক থেকে জেলা স্তরের নেতা ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের জনসংযোগ বাড়ানোর কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনের কাজের পাশাপাশি বুথ স্তরের সংগঠনকে আরও মজবুত করার বার্তা দেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামের আসন্ন উপনির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয় ধরে রাখাই এখন পদ্ম শিবিরের মূল লক্ষ্য, আর সেই কারণেই খোদ মুখ্যমন্ত্রী মেদিনীপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে কোমর বেঁধে আসরে নেমে পড়লেন।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Related Articles

ফেসবুক লাইভে 'অবমাননাকর' মন্তব্য! মদন মিত্রকে ১০ কোটির নোটিশ অভিষেকের
2h ago

চলতি অর্থবর্ষেই সপ্তম বেতন কমিশন! বকেয়া ডিএ নিয়েও বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
3h ago

শিক্ষক বদলিতে ‘সুপারিশ-সংস্কৃতি’ শেষ, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সাম্মানিক বৃদ্ধির আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর
4h ago

গ্রেফতারির পর আদালত থেকে জামিন পেলেন অসিত মজুমদার
5h ago

'প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনা' নিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
6h ago

ক্যাথেড্রাল রোডমুখী জনস্রোত, মমতার পথেই জনতা
7h ago





