Site Logo

সিঙ্গুরের ২০ বছর পর উলটপুরাণ! এবার সরাসরি জমি অধিগ্রহণের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

EBBS Desk··1 min read
সিঙ্গুরের ২০ বছর পর উলটপুরাণ! এবার সরাসরি জমি অধিগ্রহণের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সিঙ্গুর আন্দোলনের কুড়ি বছর পর রাজ্যে ঐতিহাসিক জমি নীতি বদলের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ডানকুনিতে লাক্স কোজির ৬০০ কোটি টাকার নতুন প্ল্যান্টের শিলান্যাস করে তিনি স্পষ্ট জানান, বিনিয়োগের গতি বাড়াতে এবং লাল ফিতের জট কাটাতে পূর্বতন জমানার 'অপরিণামদর্শী' নীতি আমূল বদলে ফেলা হচ্ছে। নতুন নিয়মে এবার থেকে রাজ্য সরকার নিজেই সরাসরি জমি কিনে তা নির্দিষ্ট শিল্প সংস্থাকে হস্তান্তর করবে। এই সরাসরি জমি কেনার ক্ষেত্রে গ্রামীণ এলাকায় বাজার মূল্যের চারগুণ এবং শহরে দ্বিগুণ দাম ও উপযুক্ত পুনর্বাসন পাবেন মালিকরা।

Sponsored

Sranchi In Article

মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার ঠিক দুই মাসের মাথায়, শনিবার ডানকুনিতে লাক্স কোজির ৬০০ কোটি টাকার একটি নতুন প্ল্যান্টের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৬ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে জানানো হয়েছে। এই লগ্নির মঞ্চে দাঁড়িয়েই রাজ্যের পুরনো ও অচল জমি নীতিকে আমূল বদলে ফেলার ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, পূর্বতন জমানার মতো বর্তমান সরকার জমির পুরো বিষয়টি শুধু শিল্পপতিদের ওপর ছেড়ে দিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, যেভাবে বিএসএফ-কে সরকার জমি দেয়, ঠিক সেই পথ অবলম্বন করেই এবার থেকে রাজ্য সরকার নিজেই সরাসরি জমি কিনবে। পরবর্তীকালে সেই জমি নির্দিষ্ট শিল্প সংস্থাকে হস্তান্তর করা হবে। সরকারি এই সিদ্ধান্তের ফলে জমির মালিকরা বর্তমান আইন মোতাবেক উপযুক্ত পুনর্বাসন ও বাজার মূল্য পাবেন। নিয়ম অনুযায়ী, শহরের জমি হলে বাজার মূল্যের দ্বিগুণ এবং গ্রামীণ এলাকার জমি হলে বাজার মূল্যের চারগুণ পর্যন্ত দাম ও সোলাসিয়াম পাবেন মালিকরা।

Sponsored

Merlin In Article

এর পাশাপাশি আরবান ল্যান্ড সিলিং আইনটি সম্পূর্ণ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। ১৯৭৬ সালের এই আইনের ফলে বাংলায় কোনো ব্যক্তি সাড়ে সাত কাঠার বেশি জমি নিজের হেফাজতে রাখতে পারতেন না এবং অতিরিক্ত জমি হস্তান্তরের জন্য ভূমি দফতরের অনুমতি নিতে হতো। শিল্পপতিদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী আরও একটি বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, এবার থেকে কোনো সংস্থা ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে বিল্ডিং প্ল্যান বা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজের জন্য আর স্থানীয় জেলা পরিষদ, পুরসভা বা পঞ্চায়েত সমিতির দরজায় চক্কর কাটতে হবে না। স্থানীয় স্তরের এই সমস্ত প্রশাসনিক দফতরগুলিকে দুর্নীতি ও দাদাগিরির জায়গা বলে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, হয়রানি বন্ধ করতে রাজ্য স্তরের সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থার মাধ্যমে এবার থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from রাজ্য

View All →