বাংলায় জঙ্গি জাল বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে এসেছিল বর্ধমান থেকে ধৃত হামিম মণ্ডল(Hamim Mondal)। তবে তাঁর সহযোগী ছিলেন ঝাড়খণ্ডের বাঙালি তরুণী অর্পিতা সরকার(Arpita Sarkar)। ঝাড়খণ্ডের অর্পিতা সরকারের সঙ্গে বাগ্দানও সেরে নিয়েছিলেন জঙ্গি-যোগে ধৃত হামিম মণ্ডল।
অর্পিতা- হামিমের(Hamim Mondal-Arpita Sarkar) হ্যানিট্রাপ নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। হানিট্রাপে ফেলতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চালাতেন অর্পিতা। বিশ্বাস অর্জনের পর অপহরণের ছক কষত তারা। অর্পিতা এবং হামিমের চ্যাট থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ পেয়েছে এসটিএফ। অস্ত্র পাঠানোর সম্মতি দিয়েছে শাহাজাদ ভাট্টির গ্যাং। চ্যাটে এমনই তথ্য অর্পিতাকে জানায় হামিম।
শনিবার রাতভর হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেঙ্গল এসটিএফ৷ এমনকি হামিম মন্ডল এবং অর্পিতা সরকারকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা গিয়েছে, হামিমের সঙ্গে অর্পিতার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে যে তথ্য উঠে আসে সেই সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হয় তাদের। জানা গিয়েছে, একের পর এক অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া থেকে শুরু করে বান্ধবীকে ‘হানিট্রাপ’ হিসাবে ব্যবহার করে অপহরণের ছক কষেছিল হামিম।
তদন্তে উঠে এসেছে, নজরদারি এড়াতে হোয়াট্সঅ্যাপে যোগাযোগ না রাখার জন্যও অর্পিতাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন হামিম। সূত্রের “ডিসকর্ড” অ্যাপের মাধ্যমে তাদের মধ্যেনিয়মিত যোগাযোগ হত। তদন্তকারীদের সন্দেহ, রাজ্য ও কেন্দ্রের একাধিক রাজনৈতিক নেতা ভাট্টি গ্যাংয়ের সম্ভাব্য টার্গেটে ছিলেন।
হাওড়ার পিলখানা রোডের কাছে হামিমের একটি দোকানের হদিশ পাওয়া গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই বিষয়ে কেউই কিছু জানতেন না। রাজ্যের পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের টার্গেট ছিল জঙ্গি গোষ্ঠীর। ফলে হাওড়াতে নেটওয়ার্ক তৈরি করতেই দোকান কিনে থাকতে পারেন হামিদ।
















