NCPI সাংসদদের আশা দেখিয়েও শেষ পর্যন্ত দিল্লি সফর বাতিল করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফলে দিল্লির বঙ্গভবনে মঙ্গলবার তৃণমূলত্যাগী এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে তাঁর যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল তা বাতিল হয়ে গেল। আর এই খবর শোনার পরেই সোমবার সন্ধেয় তড়িঘড়ি নবান্নে ছুটে যান এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Banerjee)। কী বিষয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হল তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI) নামে এক অজানা রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছিলেন কমপক্ষে ২০ সাংসদ। যোগ দিয়েই ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা সমর্থন করবেন কেন্দ্রের এনডিএ (NDA) জোট সরকারকে। এবার জল্পনা, হয়ত বিজেপিতেই মিশে যাবে এনসিপিআই! কারণ এনডিএ-র বৈঠকে ডাক পেয়েছেন এনসিপিআই সাংসদরা। তার আগে মঙ্গলবার দুপুরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও দিল্লির বঙ্গভবনে বৈঠক বসার কথা ছিল এনসিপিআই সাংসদদের। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে নবান্নে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। বৈঠকে রয়েছে বিভিন্ন দফতরের সচিবদের সঙ্গেও। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি যাত্রা বাতিল করেছেন শুভেন্দু। গত সপ্তাহেও দিল্লি সফর বাতিল করেছিলেন তিনি। এরপরই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা। তাহলে কি এনসিপিআই সাংসদদের এড়াতে চাই চাইছেন তিনি? রাজনৈতিক মহলে এই জল্পনার মধ্যেই সোমবার মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরতেই সন্ধেয় নবান্নে উপস্থিত হন এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ।
রাজ্যে পালাবদলের পরেই প্রাক্তন শাসকদলের সাংগঠনিক স্তরে রদবদল হয়। আর প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamta Banerjee) হাত ছাড়েন তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। প্রথমে আলাদা শিবির করেন তাঁরা। দিল্লিতে (Dehli) ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক করেন তৃণমূলের (TMC) বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। সেদিন সেখানে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে সেই সন্ধ্যায় শতাব্দীর দিল্লির বাড়িতে চা-চক্রেও যোগ দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। এর পরে তৃণমূল ছেড়ে একেবারেই একটি অপরিচিত সদ্য গজানো রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দেন তৃণমূল প্রতীকে জেতা সাংসদরা। ঘোষণা করেন কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থন দেবেন। এনডিএ-র বৈঠকে ডাকও পেয়েছেন এনসিপিআই সাংসদরা। তার আগে মঙ্গলবার দুপুরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু শুভেন্দু দিল্লি শহর বাতিল করায় সেই বৈঠক আপাতত হচ্ছে না।
















