কলকাতা ২৭°সে
ব্রেকিং
টুলু-কাণ্ডে বোলপুর থেকে আটক অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর কর্মচারী রাকিবুল২০২৮ থেকে আমূল বদল স্কুল পাঠ্যসূচিতে! বড় ঘোষণা স্কুল শিক্ষামন্ত্রীরমুখ্যমন্ত্রীর মাস্টারস্ট্রোক! ইস্কনের মিড-ডে মিলের সঙ্গেও ডিম দেবে রাজ্যচুক্তি না রাখলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি,  FIR প্রত্যাহারে লিগ্যাল সেল গঠন CJP-এরপ্রশ্নফাঁস রোধে বিল পেশ লোকসভায়, বিরোধীদের হট্টগোলে উত্তপ্ত সংসদআমরা করে দেখিয়েছি: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় প্রথম জয় CJP-এর! কী জানালেন অভিজিৎদেশজুড়ে প্রবল আন্দোলনের চাপে অবশেষে ইস্তফা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানেরমোদির এক রিল পোস্টেই  বিশ্ব রেকর্ড! ২৪ ঘন্টায় অবাক করা ভিউNEET ইস্যুতে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্র! কী শর্ত দিলেন কিরেণ রিজিজুপ্রশ্নফাঁসে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে তদন্তের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, 'আগে শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করুন' পাল্টা পোস্ট রাহুলেরটুলু-কাণ্ডে বোলপুর থেকে আটক অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর কর্মচারী রাকিবুল২০২৮ থেকে আমূল বদল স্কুল পাঠ্যসূচিতে! বড় ঘোষণা স্কুল শিক্ষামন্ত্রীরমুখ্যমন্ত্রীর মাস্টারস্ট্রোক! ইস্কনের মিড-ডে মিলের সঙ্গেও ডিম দেবে রাজ্যচুক্তি না রাখলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি,  FIR প্রত্যাহারে লিগ্যাল সেল গঠন CJP-এরপ্রশ্নফাঁস রোধে বিল পেশ লোকসভায়, বিরোধীদের হট্টগোলে উত্তপ্ত সংসদআমরা করে দেখিয়েছি: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় প্রথম জয় CJP-এর! কী জানালেন অভিজিৎদেশজুড়ে প্রবল আন্দোলনের চাপে অবশেষে ইস্তফা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানেরমোদির এক রিল পোস্টেই  বিশ্ব রেকর্ড! ২৪ ঘন্টায় অবাক করা ভিউNEET ইস্যুতে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্র! কী শর্ত দিলেন কিরেণ রিজিজুপ্রশ্নফাঁসে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে তদন্তের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর, 'আগে শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করুন' পাল্টা পোস্ট রাহুলের
রাজ্য

বাক স্বাধীনতার জয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ: তসলিমা, দেখতে চান 'কলকাতার বাড়ি'

প্রায় দুদশক পরে শুক্রবার কলকাতায় (Kolkata) ফিরে জানালেন 'নির্বাসিত' লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। তাঁর কলকাতায় আসতে পারার জন্য, তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বারবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন লেখিকা

বাক স্বাধীনতার জয়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ: তসলিমা, দেখতে চান 'কলকাতার বাড়ি'

"বাংলাদেশে তো ফেরা সম্ভব নয়। কলকাতায় ফিরতে পেরেছি এটাই আমার কাছে অনেক আনন্দের বিষয়।" প্রায় দুদশক পরে শুক্রবার কলকাতায় (Kolkata) ফিরে জানালেন 'নির্বাসিত' লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। তাঁর কলকাতায় আসতে পারার জন্য, তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বারবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন লেখিকা; জানিয়েছেন ধন্যবাদ। আর ধন্যবাদ জানিয়েছেন 'সেকুলার মিশন ট্রাস্ট'-এর কর্ণধার ওসমান মল্লিককে (Osman Mallik)। লেখিকার কথায়, তাঁর কলকাতায় ফেরা বাক স্বাধীনতার জয়।

Sponsored

Sranchi In Article

 • কলকাতায় ফিরে প্রথম অনুভূতি কী?
তাসলিমা জানান, "খুবই ভালো লাগছে। আমি কখনও ভাবতেই পারিনি যে এই শহরে আমি আবার আসব। ১৯ বছরে কলকাতা অনেক বদলে গিয়েছে। 'সেকুলার মিশন ট্রাস্ট'-এর ওসমান মল্লিক আমাকে কলকাতায় নিয়ে আসার ব্যাপারে সাহায্য করেছেন। তাঁর উদ্যোগে অনেক ধন্যবাদ।" লেখিকার কথায়, "এটা ভালো যে আমি ফিরতে পেরেছি। বাংলাদেশ তো ফেরা সম্ভব নয়, এই জীবনে আর সেটা হবে না। তবে কলকাতায় আসতে পেরে ভালো লাগছে। এটা যে সত্যি প্রগতিশীলদের শহর সেটা আজ প্রমাণ করেছে কলকাতা।"

শনিবার কলকাতার একটি অনুষ্ঠানে তসলিমা নাসরিনের লেখা কবিতা পাঠ করা হবে। সে বিষয়ে লেখিকা জানালেন, "আগামিকালের অনুষ্ঠানে আমার কবিতা পাঠ হবে। এইখানে যে আমি আসতে পেরেছি আমাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে, সেই কারণে আমি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে।"

* কখনও ভেবেছিলেন কলকাতা ছেড়ে চলে যেতে হবে?
 তসলিমার কথায়, "এককালে তো আমি এখানেই ছিলাম। এই প্রগতিশীলদের শহর থেকে আমায় যে চলে যেতে হবে তা আমি কখনও ভাবতেও পারিনি। আমি ভেবেছিলাম বাংলাদেশ থেকে আমায় তাড়িয়ে দিয়েছে। কারণ ওটা মৌলবাদীদের দেশ হয়ে গিয়েছে, 'জেহাদিস্তান' হয়ে গিয়েছে। ৩২ বছর আগে সেই মৌলবাদীদের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার আমায় দেশ থেকে তাড়িয়ে ছিলেন। সেখানে কোন বাক স্বাধীনতা ছিল না। কলকাতা এসে আমি ভেবেছিলাম এখান থেকে আমায় কেউ তাড়াবে না। কারণ এখানকার লোক গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। মহিলাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। লেখকের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।
 ১৯ বছর আগে যখন আমায় কলকাতা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হল তখন আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি প্রথমে। পরে বুঝতে পারলাম এরাও বাংলাদেশের মতোই লেখকের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।"

তাঁর এই কলকাতায় ফেরার জন্য দুজন মানুষকে ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তসলিমা। একজন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, আর অন্যজন ওসমান মল্লিক। তাঁর কথায়, "বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তিনি উদার বলে এবং বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন বলেই আমার নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছেন।"

* ১৯ বছর আগে হঠাৎ যেদিন কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তো সেদিনের অনুভূতিটা কেমন ছিল?
তসলিমার অভিযোগ, ২০০৭ নয়, তার দু'বছর আগে থেকেই তাঁকে কলকাতা-ছাড়া করার পরিকল্পনা শুরু হয়। ২০০৭-এ নভেম্বরে কলকাতা ছাড়লেও তার দু বছর আগে যখন কলকাতা হাই কোর্ট তসলিমা নাসরিনের লেখা 'দ্বিখন্ডিত' বইটি উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, তখন থেকেই তৎকালীন রাজ্য সরকারের তরফ থেকে তাঁকে কলকাতা ছেড়ে, রাজ্য ছেড়ে বারবার চলে যেতে বলা হয়েছে। বললেন, "আজকে ফিরে আয় ফিরে মনে হচ্ছে বাক স্বাধীনতা জয় হয়েছে।" 

* বাম আমলে বাংলা ছাড়তে হয়েছিল। মাঝে ১৫ বছর তৃণমূল শাসন। এখন বিজেপি সরকার। তিন মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বলবেন?
 রাজনৈতিক প্রশ্ন সযত্নে এড়িয়ে তসলিমা বললেন, "আমি সরকার নিয়ে কোনও কথা বলতে চাই না। তবে আমি আবার যদি আসতে চাই তাহলে পরেও যেন আমি আসতে পারি। কলকাতায় কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান করতে পারি, বইমেলায় যেতে পারি।" তাঁর কথায়, "শুধু আমার কথা নয়, কোনও লেখক-সাহিত্যিকের যদি লেখা পছন্দ না হয়, তাঁর কথা যদি পছন্দ না হয়- তাহলেও যেন তাঁকে বিতাড়িত করে না দেওয়া হয়, নির্বাসনে না পাঠানো হয়, কারাগারে নিক্ষেপ না করা হয়- সেই কথা বলার জন্যই আমি এসেছি।" যদিও এখনই পাকাপাকিভাবে কলকাতায় থাকার কোনও পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তসলিমা।  

* কলকাতায় কোথায় কোথায় যেতে চান? কাদের সঙ্গে দেখা করতে চান তাসলিমা?
'দ্বিখন্ডিত' লেখিকা জানালেন, "কলকাতায় এসে আমার ইচ্ছে একবার কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়ায় যাব। এখনও অনেক প্রকাশক আমার বই প্রকাশ করেন, সেই সব জায়গায় যাওয়ার ইচ্ছে আছে। আর রডন স্ট্রিটে যে বাড়িতে আমি থাকতাম, যদি সম্ভব হয় তাহলে সেই বাড়িটায় একবার যেতে চাই। কেমন আছে আমার কলকাতার বাড়ি?" আবেগপ্রবণ তসলিমা।

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

আরও পড়ুন

More from রাজ্য

View All →