জনবিরোধী বিজেপি সরকারের লাগামহীন সন্ত্রাসের প্রতিবাদে শনিবার শ্রীরামপুরে সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন শীঘ্রই জেলা কর্মসূচি শুরু করবেন তিনি। সেইমতো আদালতের নির্দেশক্রমে গণতন্ত্র রক্ষার দাবিতে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে জনসভা করবেন।

 

এই সভা আগেই হওয়ার কথা ছিল, আইনি লড়াই হয়েছে।  জনসভার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এখন আবার পরিকল্পিতভাবে সভা পণ্ড করতে পুলিশ ধরপাকড় চালাচ্ছে। সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এ-প্রসঙ্গে বলেন, “পুলিশ অত্যাচার চালাচ্ছে। গত দু-দিনে ১৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এক মহিলা সমর্থক তাঁর মেয়েকে আনতে যাচ্ছিলেন। তখন তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। পুলিশি অত্যাচার কাকে বলে সিপিএমের সময় আমরা চমকাইতলা দেখেছিলাম আর শুভেন্দু অধিকারীর সময় শ্রীরামপুর বড় উদাহরণ হতে চলেছে। আইসি ডেকে থ্রেট করছে। বিরোধীদের রাজনীতি করতে দিতে চাইছে না, একচ্ছত্র শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। কিন্তু আমাদের নেত্রীকে আটকানো যাবে না। শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বের হতে দেব না। আমরা মামলা করে আদালতের অনুমতি নিয়ে সভা করছি।”

শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই সভার প্রস্তুতি সারা। পরিষদীয় নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, “কোর্টের নির্দেশ মেনেই এই সভার আয়োজন করা হচ্ছে। পুলিশকে সমস্তরকম নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় হাজার মানুষের জমায়েতে সবুজ সংকেত দিয়েছে আদালত। আমরা সেই আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু জননেত্রীর সভাকে ঘিরে মানুষের উচ্ছ্বাসও প্রবল।” 

উল্লেখ্য, শ্রীরামপুরে ১১ সেপ্টেম্বর পদযাত্রা ও সভা করার পরিকল্পনা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় জল গড়ায় কোর্ট পর্যন্ত। 

প্রতীক ইস্যু সহ উপ নির্বাচন একাধিক ইস্যুতে মমতা কী বার্তা দেন সেই দিকেই তাকিয়ে কর্মী সমর্থকরা।