তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের। তাঁর অভিযোগ, অধিবেশন চলাকালীন কুণাল ঘোষ অধ্যক্ষের পদ ও আসনকে উদ্দেশ্য করে চরম কটাক্ষ করেছেন এবং বিধানসভার গরিমা ও স্পিকারের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছেন। সেই কারণে কুণালের বিরুদ্ধে স্বাধিকারভঙ্গের নোটিশ আনা হয়েছে। এর পাল্টা জবাব দিয়েছে বেলেঘাটার বিধায়ক।
কুণাল জানিয়েছেন, "আমি আপনার (স্পিকার) চেয়ারকে অসম্মান করিনি। আপনার যদি মনে হয়, আমি অসম্মান করেছি চেয়ারকে, তাহলে আমি দুঃখিত।" ইতিমধ্যে শঙ্কর ঘোষের আনা স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ গ্রহণ করেছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ।
কুণালের বক্তব্য,"আমিও এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছি। আমিও বলতে চাই, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম। আমরা ঘর চেয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে দেখতে বলেন। আমরা বলার সময় চাই। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে সেটাও দেখতে বলেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আমাদের বিরোধী দলনেতা, আমাদের নাম পাঠান আখরুজ্জামানকে। তা সত্ত্বেও আমাকে বলতে দেওয়া হয়নি। ওঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সমস্যা নেই। প্রতীকী প্রতিবাদ আমি করেছি। আপনাকে অসম্মান করিনি। অপব্যাখ্যা করে চাপিয়ে দিলে হবে না।"
বুধবার কুণালের অভিযোগ ছিল, স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের আলোচনায় তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল কিন্তু বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান সেই নাম কেঁটে দিয়েছেন। সেই কারণেই প্রতিবাদ করতে ওঠেন তিনি। বিধানসভায় যে মুহূর্তে বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে ওঠেন ঠিক সেই সময়ে তাঁর মাইকয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়েন কুণাল। বলতে বাধা দেন আখরুজ্জামানকে। কুণাল ঘোষ নিজের আসন ছেড়ে উঠে আসতেই বিজেপি বিধায়করাও ওয়েলে নেমে এসে কুণালকে বাধা দেন। কুণাল প্রতিবাদ করলে তাঁকে একদিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয় এবং মার্শাল ডেকে তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে দেওয়া হয়।
















