Site Logo

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ব্যর্থ, তাই মহিলাদের ঘরে বন্দি করো! খোলস ছাড়ানো বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

EBBS Desk·
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ব্যর্থ, তাই মহিলাদের ঘরে বন্দি করো! খোলস ছাড়ানো বিজেপিকে তোপ অভিষেকের
বাংলা জিততে মরিয়া বিজেপির নেতারা এবার বাংলার মহিলাদেরও ঘরে বন্দি করতে পিছপা হচ্ছে না। রীতিমত পুরুষদের নিদান দেওয়া হচ্ছে বাড়ির মহিলাদের ভোট দিতে যাওয়ার আগে ঘরে বন্দি করা রাখার জন্য। উত্তরপ্রদেশ বা গুজরাট, রাজস্থান নয় - এবার এই ঘোষণা বাংলাতে। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) প্রয়োগ, এসআইআর (SIR) করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়েও বাংলায় এঁটে উঠতে পারছে না বিজেপি। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) নিয়ে বাংলার শাসকদলের প্রতি বাংলার মহিলাদের সমর্থনে ভয় পেয়ে মহিলাদেরই ঘরে বন্দি করার দাওয়াই বিজেপি নেতার। যে বর্বরতা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নরেন্দ্র মোদির অনুগামীরা চালান, তা বাংলায় চালাতে এলে বাংলা-বিরোধীদের জবাব দেবেন মহিলারাই, স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee)। নারী নির্যাতনে কেন বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি এক নম্বরে, তা এবার বাংলার বিজেপি নেতারাই স্পষ্ট করে দিলেন। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মহিলাদের যে কোনও সময়ে ঘরে বন্দি করে রাখা ও জোর করে মুখ বন্ধ করে রাখা যে নিত্য দিনের ঘটনা তা তুলে ধরলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালিপদ সেনগুপ্ত (Kalipada Sengupta)। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে একটি সভামঞ্চ থেকে তিনি দাবি করলেন, যে মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এখনও পাচ্ছেন, তাঁরা ভোট দিতে যাবেন জোড়া ফুলে। তাঁদের স্বামীরা তাঁদের ঘরে বন্দি করে রাখুন। ভোটটা জোড়াফুলে নয়, পদ্মফুলে পড়া চাই। কার্যত যেভাবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির পরিকল্পিত এসআইআর প্রয়োগ করেছে বিজেপির কেন্দ্রের সরকার, তা যে বাংলার মানুষের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার কল তা টের পেয়ে গিয়েছেন বাংলার মানুষ। সেই সঙ্গে ভোট বাক্সে যে বাঙালির অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্রের বিপক্ষেই বিজেপি সাফ করে দিতে রায় দেবেন বাংলার মানুষ তা বুঝেই মরিয়া বঙ্গ বিজেপির নেতারা। তাই মহিলাদের ঘরে আটকে রাখার নিদান। বিজেপির সেই মানসিকতাকে স্পষ্ট করে অভিষেক তুলে ধরেন, নির্বাচন কমিশনকে এসআইআর করার জন্য হাইজ্যাক করো, তারপরে ব্যাপক হারে বৈধ ভোটারদের বাদ দেওয়া। যখন সেই পন্থা ব্যাকফায়ার করেছে, তখন জোর করে নাম মুছে ফেলার নাটক শুরু হল 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি' উদ্ভাবন করা হল। সেই পথও যখন ব্যর্থ হল, বিজেপি ডুবে গেল সমান্ততান্ত্রিক ও বর্বর পুরুষতান্ত্রিক (patriarchal) পথে, যেখানে স্বামীদের কাছে ভিক্ষা করা হল স্ত্রীদের ঘরে বন্দি করে (caging) রাখার জন্য। যাতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বলিয়ান মহিলারা ভোট দিতে বেরোতে না পারেন। আরও পড়ুন : SIR শুনানির হয়রানিতে মৃত্যু বৃদ্ধের: অক্সিজেনের নল নাকে শুনানিকেন্দ্রে! আসলে বঙ্গ বিজেপির যত সমস্যা কী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে? বারবার যেভাবে বিজেপি নেতাদের নিশানায় বাংলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, তা তুলে ধরে অভিষেকের দাবি, একসময় বিজেপি দাবি করেছিল বাংলায় ক্ষমতায় এলে তুলে দেবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। তারা নাক সিঁটকেছিল যে বাংলার হিন্দু মহিলারা ৫০০ টাকার জন্য নিজেদের বিক্রি করে দিচ্ছে। মহিলাদের সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা দেওয়াকে 'ভিক্ষা' বলে অপমান করেছিলেন। আর এবার প্রকাশ্যে মহিলাদের দীর্ঘ ভোগান্তির মধ্যে ফেলার হুমকি দিচ্ছে কারণ মহিলাদের ভোটই নির্বাচনে বিজেপির সামান্য সম্ভাবনাকে বিপদে ফেলেছে। তবে বাংলা-বিরোধীদের বিজেপিকে আদতে যে শিক্ষা দেবে বাংলার মহিলারাই, তা স্পষ্ট করে অভিষেকের তোপ, ২০২৬-এর নির্বাচনে যে মহিলাদের আপনারা খাঁচায় বন্দি করতে চাইছেন, সেই লক্ষ লক্ষ মহিলারাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং আপনাদের বাংলা বিরোধী, নারী-বিরোধী রাজনীতিকে চিরতরে পুঁতে দেবে। - - -

Sponsored

Sranchi In Article

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →