ভেনেজুয়েলায় হামলা চালাতে গিয়ে নিজের দেশেই বিরোধিতার মুখে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতারের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে গোটা দেশে অন্তত ১০০টি প্রতিবাদ মিছিল প্রত্যক্ষ করল মার্কিন প্রশাসন। এমনকি হোয়াইট হাউসও বাদ গেল না। কয়েকশো ভেনেজুয়েলা সমর্থক (Venezuela Supporters) শনিবারই বিক্ষোভ দেখায় হোয়াইট হাউসের বাইরে। আদতে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আগ্রাসী নীতিতে একের পর এক দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধবাজ চরিত্র তুলে ধরে আদতে যে আমেরিকার মানুষের কোনও ভালো করছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প, সোজাসাপটা অভিযোগ তুললেন প্রাক্তন মার্কিন উপ-রাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিস।
যুদ্ধবাজ চরিত্রে শুধু ট্রাম্পের লাভ: প্রতিবাদে শতাধিক শহরে পথে মার্কিন নাগরিকরা
Sponsored

শনিবার সকালে ট্রাম্পের নির্দেশে আমেরিকান সেনা নিউ ইয়র্কে তুলে এনেছে ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে। এরপর থেকেই কার্যত নিউ ইয়র্ক সিটিসহ আমেরিকার ১০০ এর বেশি শহরে শুরু হয়েছে এই নিয়ে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ। শত শত মানুষ ম্যানহাটনের রাস্তায় নেমে নেমে বিক্ষোভে সামিল হয়েছে। তাঁরা রাস্তায় 'ভেনেজুয়েলার উপর থেকে আমেরিকা হাত সরিয়ে নাও', 'ক্যারিবিয়ান থেকে আমেরিকা তুমি বেরিয়ে যাও', 'ভেনেজুয়েলাকে রক্ষা করো, মাদুরোকে মুক্ত করো' এই রকম লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। আরও পড়ুন: ট্রাম্পকে ফোন করে বলে দিলেন মামদানি, ‘এটা আপনি ঠিক করেননি’!
ভেনেজুয়েলা আগ্রাসন নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরব হলেন আমেরিকার প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। তাঁর দাবি, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ কোনোভাবেই আমেরিকাকে শক্তিশালী করে না। এই পদক্ষেপ 'বে-আইনি' ও 'অবৈধ' বলেও দাবি করেন হ্যারিস। তিনি দাবি করেন, মাদুরোকে নৃশংস, অনুপযুক্ত স্বৈরাচারী বলে দাবি করলেও এটা বদলে যাবে না যে এই পদক্ষেপ বেআইনি এবং অবিবেচকের মতো। আমরা এই ধরনের চলচ্চিত্র আগেও দেখেছি। সাম্রাজ্যের পতনের বা তেলের জন্য যুদ্ধ বাজারে শক্তিশালী বলে ভালো বিক্রি হলেও আদতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। এবং মার্কিন পরিবারগুলিকে তার দাম দিতে হয়।
-
-
-
-
-
-
-
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













