Site Logo

'ভারতরত্ন' নথিতে প্রমাণ করতে হল ভোটাধিকার! অমর্ত্য সেনের নথি সংগ্রহ কমিশনের

EBBS Desk·
'ভারতরত্ন' নথিতে প্রমাণ করতে হল ভোটাধিকার! অমর্ত্য সেনের নথি সংগ্রহ কমিশনের

যে ১১টি নথি প্রাথমিকভাবে ভোটাধিকারের প্রামাণ্য হিসাবে দাবি করেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন, তার মধ্যে অন্যতম ছিল ভারতরত্ন (Bharat Ratna) বা সমমানের সম্মানের নথি। এবার ভোটাধিকার প্রমাণে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে সেই ভারতরত্নের নথি তুলে ধরতে হবে কিনা, প্রশ্ন করলেন অধ্যাপক সেনের (Amartya Sen) আত্মীয়রা। কমিশনের তরফে শুক্রবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি (logical discrepancy) সমস্যার সমাধানের জন্য নথি সংগ্রহ করা হয়। যদিও ভারতরত্নের নথি পেশ করতে হবে কিনা, তা নিয়ে কোনও উত্তর দেয়নি নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

Sponsored

Sranchi In Article

নির্বাচন কমিশন যে প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী (SIR) চালাচ্ছে, তা কতখানি ভুল তার সব থেকে বড় উদাহরণ নোবেলজয়ী (Nobel Laureate) অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা (voter list) তথ্যে তাঁর কোনও সমস্যা ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন কমিশনের তৈরি করা নতুন নিয়মে পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকায় তাঁর জায়গা হওয়ার কথা। পাশাপাশি নোবেল জয়ী ভারতরত্ন তিনি। অথচ মায়ের বয়সের যে অভিযোগে তাঁকে তালিকায় নাম নেই বলে নোটিশ ধরানো হয়েছে তা যে সম্পূর্ণ ভুল, তাও নথি দিয়ে তুলে ধরেছেন অমর্ত্য সেনের আত্মীয় শান্তভানু সেন ও প্রতীচি ট্রাস্টের সদস্য গীতিকণ্ঠ মজুমদার। এরপরেও ভোটার তালিকায় নাম রাখতে নোবেলজয়ীতে নথি পেশ করতেই হবে, এমনটাই জানায় কমিশন।

বর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত অধ্যাপক সেনকে সম্পূর্ণ বিষয়টি জানানো হয়। তিনি নিজের নথি পেশ করার জন্য শান্তভানু সেন এবং প্রতীচি ট্রাস্টের (Pratichi Trust) সদস্যদের দায়িত্ব দেন। সে ক্ষেত্রে কোন নথি গ্রহণ করবে কমিশন, তা নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন তোলেন প্রতীচি ট্রাস্টের সদস্য গীতিকণ্ঠ মজুমদার।

আরও পড়ুন : মিথ্যে ফাঁস কমিশনের, অমর্ত্যর বাড়িতে পৌঁছল SIR শুনানিরই নোটিশ

ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন সম্মানে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে ভূষিত করা হয়েছিল ১৯৯৯। সালে ঠিক তার আগের বছরই ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার জয় করেন। তারই স্বীকৃতিতে তৎকালীন ভারত সরকার তাঁকে ভারতরত্নে ভূষিত করেছিল। ভোটার তালিকার সংশোধনী প্রক্রিয়ায় দেশের ভোটার তালিকা থেকে সেই অধ্যাপক সেনের নাম বাদ চলে যায়। এবার প্রতীচি ট্রাস্টের পক্ষ থেকে কমিশনের (Election Commission) কাছে প্রশ্ন করা হয়, তবে কি তাঁর ভারতরত্নের (Bharat Ratna) শংসাপত্রকে প্রামাণ্য নথি হিসেবে তুলে ধরতে হবে? এই প্রশ্নের কোনও উত্তর কমিশনের তরফে পাওয়া যায়নি। গীতিকন্ঠ আরও দাবি করেন, কমিশন হয়তো এই নোটিশ পাঠানোর ঘটনায় তাঁদেরই ভুল তা বুঝতে পেরেই বিষয়টি নিয়ে নীরব রয়েছে।

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →