Site Logo

কার ভুলে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত: ২৭ লক্ষের মাত্র ১৩৬ জনকে ভোটাধিকার ট্রাইবুনালের!

EBBS Desk·
কার ভুলে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত: ২৭ লক্ষের মাত্র ১৩৬ জনকে ভোটাধিকার ট্রাইবুনালের!

রাজ্যের ন্যায্য ভোটাররা ভোটাধিকার থেকে যাতে বঞ্চিত না হন তার জন্য সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চও সর্বতোভাবে চেষ্টা করে গিয়েছে ভোটারদের ভোটাধিকার (right to vote) বজায় রাখতে। অথচ ২৭ লক্ষ বাদ পড়া ভোটারের মধ্যে প্রথম দফার (first phase election) নির্বাচনের আগে ট্রাইবুনাল (Appellate Tribunal) থেকে ভোটার হিসাবে ভোটার তালিকায় জায়গা পেলেন মাত্র ১৩৬ জন। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে সেই সংখ্যাটা বাড়লেও তা ১ হাজারেও পৌঁছাবে কি না সন্দেহ। সেক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরেও কেন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন বাংলার মানুষ, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। নির্বাচন কমিশনের (ECI) টালবাহানা, না কি সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশের পরেও ট্রাইবুনালের কাজ শুরু হতে দেরি? বাংলার ২৭ লক্ষ ভোটারদের (voter) বঞ্চিত হতে হচ্ছে কার জন্য, প্রশ্নের উত্তর নেই কারো কাছে।

Sponsored

Sranchi In Article

২১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো প্রথম দফার ২৩ এপ্রিলের নির্বাচনের অন্তিম ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ECI)। সেখানে ট্রাইবুনালে ১৩৮ জনের শুনানি হয়েছে বলে জানানো হয়। ন্যায্য ভোটারদের তালিকা আলাদা এবং বাতিলের তালিকা আলাদা প্রকাশিত হয়। আর তাতে দেখা যায় ১৩৮ জনের মধ্যে ১৩৬ জনই ন্যায্য ভোটার বলে গণ্য হয়েছেন। অর্থাৎ ৯৮ শতাংশ বাদ পড়া ভোটার (voter) আসলে ন্যায্য ভোটার, প্রমাণিত ট্রাইবুনালের (Appellate Tribunal) শুনানিতে।

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

নির্বাচন কমিশন যেভাবে যান্ত্রিক মাধ্যমে ভোটারদের যাচাই করে অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় ফেলেছিল, তা যে কতটা ভুল তা সুপ্রিম কোর্টেই প্রমাণিত হয়েছিল। তাই শীর্ষ আদালত অ্যাপলেট ট্রাইবুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্ট সেই ট্রাইবুনাল গঠন করে দেওয়ার পরেও পাছে বাংলার ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ফেলেন, তাই ট্রাইবুনালের কাজ শুরু করতেই দীর্ঘদিন লাগিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। আদতে প্রথম দফার নির্বাচনের আগে সময়মতো ট্রাইবুনাল কাজ শুরু করলে প্রথম দফার বাদ পড়া প্রায় ১৪ লক্ষ ভোটার আবেদনের সুযোগ পেতেন। কিন্তু কমিশনের ষড়যন্ত্রে তাঁরা এবারও বঞ্চিত হচ্ছেন ভোট দান থেকে। একইভাবে দ্বিতীয় দফার প্রায় ১৩ লক্ষ ভোটারও ট্রাইবুনাল পর্যন্ত সময়ের কারণে শুনানি পর্যন্ত পৌঁছাতে না পারায় ভোট দান থেকে বঞ্চিত হতে চলেছে।

Sponsored

Camelia In Article

-

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →