Site Logo

'ককরোচ জনতা পার্টি'তে নাম নথিভুক্ত করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ

EBBS Desk·
'ককরোচ জনতা পার্টি'তে নাম নথিভুক্ত করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ

অভিজিৎ দীপকের প্রতিষ্ঠিত 'ককরোচ জনতা পার্টি' (Cockroach Janta Party) কোনো বাস্তব বা মূলধারার রাজনৈতিক দল একেবারেই নয়। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভাইরাল প্যারোডি আন্দোলন শুরু হয়েছে। বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দলটি তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু এই মিম-ভিত্তিক অনলাইন দলের আত্মপ্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ, মহুয়া মৈত্র এবং কীর্তি আজাদ, এই প্ল্যাটফর্মে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনাটি জনসমাজে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং খুব দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং হয়ে ওঠে। "গণতন্ত্রের জন্য যে লড়াকু মনোভাব প্রয়োজন, আপনিই সেই লড়াকু ব্যক্তি, মহুয়া মৈত্র। সিজেপি-তে আপনাকে স্বাগত," কৃষ্ণনগরের সাংসদকে স্বাগত জানিয়ে দলটির এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা হয়েছে। বর্ধমান-দুর্গাপুরের সাংসদ কীর্তি আজাদকে সিজেপি-তে স্বাগত জানিয়ে দলের তরফে লেখা হয়েছে, "১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ই যথেষ্ট যোগ্যতা।" আরও পড়ুন: ধনধান্যে বোর্ড কৃতীদের শুভেচ্ছা শমীকের

Sponsored

Sranchi In Article

আদালতের এক শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সাংবাদিকতা, আইন বা আরটিআই আন্দোলনের মতো ক্ষেত্রে বেকার যুবকদের ‘ককরোচ’ এবং ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় উন্মাদনা এই মুহূর্তে তুঙ্গে। প্রধান বিচারপতির এহেন মন্তব্যের পরেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষত যুবসমাজ সরব হয়েছে এই নিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই পেজটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং চালু হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এক্স-এ ১৫,০০০-এর বেশি ফলোয়ার অর্জন করে। পরে তারা ঘোষণা করে যে, ৪০,০০০ সদস্য এই রাজনৈতিক ফ্রন্টে যোগদান করেছে। দলের তরফে জানানো হয়, "NEET এবং CBSE-এর মতো পরীক্ষার জালিয়াতির শিকার হওয়া প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর" পাশে আছে দল।

প্রসঙ্গত, সিজেপি সদস্যপদের যোগ্যতাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যোগদানে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য একটি নির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করে জানানো হয়েছে
বেকার: বাধ্য হয়ে, স্বেচ্ছায়, বা নীতিগত কারণে। আমরা জিজ্ঞাসা করি না।
অলস: শুধুমাত্র শারীরিকভাবে। মস্তিষ্ক চলতে হবে
সারাক্ষণ অনলাইনে থাকা: শৌচাগারের বিরতি সহ দিনে ন্যূনতম ১১ ঘণ্টা।
পেশাগতভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করতে সক্ষম: যতক্ষণ পর্যন্ত বিষয়বস্তু তীক্ষ্ণ, সৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ের দিক নির্দেশ করে।
দলটি জানিয়েছে যে তারা সদস্যপদের জন্য ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ যাচাই করে না।

-

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →