ইন্দাসে বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধারাকে এলাকায় দেখাই যায় না বলে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শুক্রবার সোনামুখীর (Sonamukhi) পাত্রসায়ের গোরুর হাটের জনসভা থেকে বিজেপিকে নিশানায় নিয়ে দিলেন উন্নয়নের খতিয়ান।
Sponsored

এদিন অভিষেক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বললেন, “বিজেপিকে ল্যাজে-গোবরে করে এবার মাঠের বাইরে বার করে দেব।” ইন্দাস (Indas) নিয়ে বলতে গিয়ে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কটাক্ষ, সেখানে বিজেপির বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা (Nirmal Kumar Dhara) কার্যত ‘নিখোঁজ’। তবে, তাঁর দেখা না মিললেও তৃণমূল সরকার যে কাজ থামিয়ে রাখেনি তার পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি। উন্নয়নের খতিয়ান নিয়ে অভিষেক জানান, এলাকায় মহিলা কলেজ, কিষান মান্ডি, কর্মসংস্থানের সুযোগ, সেতু সমেত একাধিক প্রকল্প হয়েছে। সোনামুখীর ১৫টি ওয়ার্ডে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ, নতুন ফায়ার স্টেশন, আইটিআই কলেজ এবং ‘গ্রিন সিটি’ প্রকল্পে আলোকসজ্জার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, সারা বছর তাদের কোনও কাজ নেই, শুধু নির্বাচনের সময়ই সক্রিয় হয়। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ানো সবকিছুতেই সাধারণ মানুষকে চাপে ফেলেছে কেন্দ্র। 'আচ্ছে দিন'-এর প্রতিশ্রুতি দিয়ে গরিবের টাকাই আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। বিজেপির বিভিন্ন প্রকল্পের সমালোচনা করে বলেন, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে একাধিক শর্ত থাকায় অনেকেই সুবিধা পান না। দাঙ্গা আর অনুন্নয়নই বিজেপির আসল অস্ত্র বলে আক্রমণ শানান তিনি।
আরও পড়ুন : কুড়মি স্বীকৃতির দাবিতে নীরব বিজেপি! জয়পুরের সভা থেকে তোপ অভিষেকের, নিশানা বিরোধী প্রার্থীকেও
অন্যদিকে রাজ্যের প্রকল্পের প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যারা কটাক্ষ করেছিল, তারাও এখন সেই প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছে। যুবসাথী প্রকল্পেও প্রচুর মানুষ উপকৃত হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, কোনও শর্ত ছাড়াই। এমনকি ভোটের পরের উন্নয়নের রূপরেখাও স্পষ্ট করেন অভিষেক। একইসঙ্গে বাঁকুড়ায় তিনটি কোল্ড স্টোরেজ তৈরির প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সবশেষে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে অভিষেক বলেন, বিজেপির রাজনীতি মানেই বাংলাকে অপমান করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া বা লাইনে দাঁড় করিয়ে হয়রানি। তাঁর কথায়, এবারের লড়াইতে বিজেপিকে ময়দানের বাইরে পাঠানোই একমাত্র লক্ষ্য তৃণমূলের।
-
-
-
-
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













