দমকলের সদর দফতরের পাশে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ আবাসিকদের। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের জেরে বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। কিছুক্ষণ আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন পুরমন্ত্রী অগ্রিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) এবং শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় (Tapas Roy)। পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। অপরিসর রাস্তা- সিঁড়ি, কার অনুমতিতে হোটেল চলছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে আটক একাধিক, ঘটনাস্থলে অগ্নিমিত্রা-তাপস
অপরিসর রাস্তা- সিঁড়ি, কার অনুমতিতে হোটেল চলছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
Sponsored


এদিন পুরমন্ত্রী পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে বলেন, কেএমসি, ইলেকট্রিক ডিপার্টমেন্ট, ফায়ার ডিপার্টমেন্ট কীকরে অনুমতি দিল সেটা জানতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বিশেষ টিম গঠন করা হবে। গভীর রাতে যেভাবে বিশাল সংখ্যক আবাসিককে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে সে কাজের প্রশংসা করেন অগ্রিমিত্রা। এরপরই নাম না করে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) দিকে আঙ্গুল তুলে তিনি বলেন, কী করে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হল সেটাও প্রশ্ন। তারাপীঠের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তারাপীঠে প্রায় সব হোটেলেই এক্সিট ব্যবস্থা অত্যন্ত সুন্দরভাবে করা হয়েছিল কিন্তু সেগুলো সব বন্ধ রাখা হয়েছিল, পাছে কাস্টমার টাকা না দিয়ে পালিয়ে যায় সেই ভয়ে। তাই একটা সিস্টেম করতে হবে যাতে সবদিক বজায় রাখা যায়।

মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমকলকর্মীদের অনুমান, হোটেলের দ্বিতীয় তলায় আগুন লেগেছিল। সেখান থেকেই পুরোটা ছড়িয়ে পড়ে। আবাসিকদের প্রায় সকলেই বলছেন, হোটেলটিতে কোনওরকম অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল না। ফায়ার অ্যালার্ম অ্যালার্ম বাজেনি। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়েই বেশিরভাগ মৃত্যু। আগুনে ঝলসে কারোর প্রাণহানি হয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণই তদন্তে নেমেছে নিউমার্কেট থানার পুলিশ (New Market Police Station)। এত নিয়ম, এত কমিটি গঠনের পড়েও কেন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না তা নিয়ে বাড়ছে অভিযোগ। দমকল প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারাপীঠ হোক বা নিউমার্কেটের হোটেলে আগুন - সব অনিয়মের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













