সপ্তাহের শুরুতেই গুলি (Bullet) চলল উত্তর জার্মানির (Northern Germany) এক যুবকেন্দ্রে (Youth Centre)। আচমকা এই গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার সকালে ঘটে যাওয়া এই হামলায় অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। হামলার পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ (Police)। এবং দু'জনকে আটকও করেছে। তবে কী কারণে এই হামলা চালানো হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আটক হওয়া দুজনের মধ্যে একজনকে এই হামলার মূল সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফ থেকে মৃতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। হামবুর্গের পশ্চিমে (Hamburg West) অবস্থিত প্রায় ৫০ হাজার জনসংখ্যার এই স্টেড শহরের (Sted City) ওই যুবকেন্দ্র ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থলের আশপাশে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জার্মানিতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর আইন জারি থাকলেও এই হামলায় কীভাবে বন্দুক যুবকেন্দ্রের ভিতরে পৌঁছল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। হামলার নেপথ্যে ব্যক্তিগত শত্রুতা, পরিকল্পিত নাশকতা নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য কাজ করেছে, সেই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা (Investigator)। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহের কাজও চলছে।
















