Site Logo

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা-বিরোধীদলের স্বীকৃতি ঘিরে জটিলতা: অধ্যক্ষের বিবেচনার উপর সিদ্ধান্ত নির্ভর, জানালেন প্রিন্সিপল সেক্রেটারি

EBBS DESK·
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা-বিরোধীদলের স্বীকৃতি ঘিরে জটিলতা: অধ্যক্ষের বিবেচনার উপর সিদ্ধান্ত নির্ভর, জানালেন প্রিন্সিপল সেক্রেটারি

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন ও বিরোধীদলের স্বীকৃতি ঘিরে জটিলতা অব্যাহত। বুধবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠক করে এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন বিধানসভার (Assembly) প্রিন্সিপল সেক্রেটারি সৌমেন্দ্রনাথ দাস (Soumendranath Das)। তিনি জানান, বিরোধী দলের তরফে একটি চিঠি জমা পড়েছে ঠিকই, তবে সেই চিঠিতে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। ফলে বিষয়টি এখন অধ্যক্ষের (Speaker) বিবেচনার উপর নির্ভর করছে।

Sponsored

Sranchi In Article

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সৌমেন্দ্র দাস (Soumendranath Das) বলেন, বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) একটি চিঠি দিয়ে পরিষদীয় দলের পদাধিকারীদের নামের তালিকা পাঠিয়েছেন। কিন্তু সেই চিঠিতে পরিষদীয় দলের বৈঠক কবে হয়েছে, সেই বৈঠকে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং কারা সম্মতি দিয়েছেন, সেই সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ নেই। কারা কারা বিরোধী দলনেতা, উপনেতা, মুখ্য সচেতন হবেন সেটা জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু চিঠিতে কোনও তারিখ নেই। কোনও কনসেন্ট লেটার অ্যাটাচ করা নেই। কোনও সদস্যের সই নেই। চিঠিটা অধ্যক্ষ কে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে। কোনও রেজোলিউশন কপি নেই। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, এই সমস্ত তথ্য স্পষ্টভাবে জমা দিতে হবে। সেই নথি অধ্যক্ষের কাছে পেশ করা হলে তিনিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।

এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তৃণমূলের (TMC) পদক্ষেপ। বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই একটি আরটিআই (RTI) দায়ের করেছেন। সেখানে ২০১১ এবং ২০১৬ সালে কীভাবে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন হয়েছিল এবং কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল, সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, অতীতের নজির সামনে এনে বর্তমান পরিস্থিতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলতেই এই পদক্ষেপ।

এদিকে এদিনে সকালেই বিধানসভা চত্বরে বি আর আম্বেদকরের মূর্তির সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দল। হকার উচ্ছেদ, বুলডোজার অভিযান, নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা, সাধারণ মানুষের ধর্মাচরণের অধিকারে হস্তক্ষেপ এবং পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে তৃণমূল।
আরও খবর: অভিষেকের সম্পত্তি সম্পর্কিত খবর মিথ্যা, মনগড়া ও ভিত্তিহীন! বিবৃতি তৃণমূলের

তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যে ‘বুলডোজার রাজনীতি’ চালানো হচ্ছে এবং সাংবিধানিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগও তুলে সরব হয়েছে তারা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিধানসভায় বিরোধী দলের স্বীকৃতি নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই আন্দোলনের রাজনীতিতে ফের সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিতে চাইছে তৃণমূল।

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →