Site Logo

NEP-আলোচনার আড়ালে বাংলার ভোট প্রচার ধর্মেন্দ্র প্রধানের! বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন: পাল্টা তৃণমূল

EBBS DESK·
NEP-আলোচনার আড়ালে বাংলার ভোট প্রচার ধর্মেন্দ্র প্রধানের! বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন: পাল্টা তৃণমূল

বিষয় ছিল, জাতীয় শিক্ষা নীতি। কিন্তু শনিবার বাইপাসের ধারের অভিজাত ক্লাবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) শিক্ষক সমাবেশ পরিণত হল বিজেপির (BJP) নির্বাচনী প্রচারে। শিক্ষকদের উন্নতি বা জাতীয় শিক্ষা নীতি নিয়ে আলোচনার বদলে ভাষণের আগাগোড়া রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা আর মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। আর তাঁকে সঙ্গত দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Shubhendu Adhikari)। কেন্দ্রের বঞ্চনা শিকার  বাংলা। দেওয়া হচ্ছে না বকেয়া অর্থ।  তা সত্ত্বেও বাংলায় পড়ুয়া ও যুবদের জন্য একের পর এক প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাজেটেও রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়। অথচ কেন্দ্রীয় বাজেটে মিড ডে মিলের বরাদ্দ আলাদা করে বাড়ানো হয়নি। তার পরেও বাংলার ভোটের আগে এসে শিক্ষক সংগঠনের সমাবেশে ভোটের রাজনীতি করলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। মনুষকে বিভ্রান্ত করছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অভিযোগ উড়িয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের।

Sponsored

Sranchi In Article

গুটিকয়েক শিক্ষক নিয়ে এদিন সমাবেশ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের জন্য কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কী করতে চায়? শিক্ষা ব্যবস্থার জন্যই বা কী করতে চায়- তার কোনও দিশা নেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের বক্তব্যে। উল্টে বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যকে আক্রমণ করেন বিজেপির মন্ত্রী। আর চারমাস পরে বাংলায় বদলের ডাক দেন। বলেন, বাংলায় ভ্রষ্টাচার বেড়েছে। রাজ্য সরকার বাংলাকে অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দিতে চাইছে। সময় এসেছে বাংলায় পরিবর্তন আনার। পূর্ব ভারতের বিকাশ না হলে দেশের বিকাশ সম্ভব নয়। পূর্বদিকে সূর্য উদয় হয়। এর পরে তৃণমূলের সুরেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাই দেশকে পথ দেখায়।

টেট নিয়েও মন্তব্য করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। বলেন, শুধু বাংলার নয়, দেশের একটা জ্বলন্ত সমস্যা TET। গত সরকারের ভুল নীতির জন্য এই সমস্যা।  ৪ মাস পর আমাদের সরকারে আনুন। আমরা কোন না কোনো সমাধান করবই।

এর পাল্টা ধর্মেন্দ্র প্রধানকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের (TMC) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় শিক্ষা নীতির নামে নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। নাম বদলে ইতিহাস বদলের চেষ্টা করছে বিজেপি।

টেট নিয়ে কুণালের মতে, সরকারে এসেও বিজেপি কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। ত্রিপুরায় বাম আমলে শিক্ষা দুর্নীতিতে ১০হাজার শিক্ষকের চাকরি গিয়েছিল। বিজেপি ক্ষমতায় এসে সেই চাকরি ফিরিয়ে দিতে পারেনি। ফলে তারা কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। বাংলায় বাম আমলে শিক্ষাব্যবস্থার ভিতরে ঘুন ধরে গিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটা সিস্টেমে আনছেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের অভিযোগ, আমরা বাংলায় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় খুলতে চাই । তবে বাংলায় রাষ্ট্রীয় শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করলে কেন্দ্রীয় টাকা পাবেন । NEP আটকে রেখেছে রাজ্য সরকার, তাই কেন্দ্রের ১০০০০ কোটি আটকে আছে। এক পাল্টা তৃণমূল বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। আমাদের শিক্ষা দফতর প্রকৃত তথ্য দিয়ে জানিয়ে দেবে। বাম জমানায় শিক্ষায় ভুরি ভুরি দুর্নীতি হয়েছে। বিজেপিশাসিত রাজ্যেও এই ধরনের দুর্নীতি অনেক উদাহরণ রয়েছে। এই রাজ্য কোনও ঘটনা ঘটলে, সেটা অনভিপ্রেত। রাজ্য ও প্রশাসন ব্যবস্থা করেছে।
আরও খবরNEP-আলোচনার আড়ালে বাংলার ভোট প্রচার ধর্মেন্দ্র প্রধানের! বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন: পাল্টা তৃণমূল

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলার ভোটে পায়ের তলার মাটি নেই বুঝেই সমাজের সব স্তরের মানুষদের কাছে টানার চেষ্টা করছে বিজেপি। সে কারণেই শিক্ষক সংগঠনকে কাছে টানার চেষ্টা। বিজেপির ছাত্র সংগঠন থাকলেও বঙ্গে সেভাবে শিক্ষক সংগঠনে গেরুয়া ছায়া পড়েনি। ভোটের আগে সেই চেষ্টাই চলছে।

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →