মধ্যরাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের তান্ডবের নেপথ্যে কী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্দরের কারোর প্ররোচনা ছিল? চার নাম্বার গেটে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার পর প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য (The Former Vice Chancellor) তথা অংকের অধ্যাপক বুদ্ধদের সাউয়ের (Buddhadeb Sau) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এবিভিপি (ABVP) - এসএফআই (SFI) সংঘর্ষের রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের কাছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যের পাশেই তাঁকে দেখা গেছে। ইতিমধ্যে শিক্ষকদের একাংশ চাইছেন প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্ত হোক। সূত্রের খবর সেই রাতের হামলার ঘটনায় বুদ্ধদেবের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারেন কমিটি সদস্যরা।
রাজ্য তথা দেশের অন্যতম নামের প্রতিষ্ঠান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা জানান, নিরাপত্তারক্ষীরা বিশেষ কারোর নির্দেশে দরজা খুলে দিয়েছিলেন। তিনি বুদ্ধদেব কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি গণিতের অধ্যাপক অত রাতে গেটের কাছে কী করছিলেন সেটাও জানা দরকার। প্রয়োজনে পুলিশের কাছে প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর কথা বলেছেন তিনি। আজ থেকে বছর তিনেক আগে ২০২৩ সালেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে বাংলা বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তিনি র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন এই অভিযোগে ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল হয় শিক্ষাঙ্গন। সেইসময় বুদ্ধদেব সাউকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের পদে বসান তৎকালীন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। গণিতের অধ্যাপক দীর্ঘদিন ধরেই আরএসএস ভাবধারায় গঠিত অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের সক্রিয় সদস্য। তাঁর দাবি তিনি যেহেতু অধ্যাপকদের আবাসনে থাকেন, তাই সেই রাতে ক্যাম্পাসেই ছিলেন এবং অশান্তির সময় যাকেই সামনে রেখেছেন তাকেই নাকি নিরস্ত করার চেষ্টা করেছেন। যদি অধ্যাপকদের একাংশের অভিযোগ বুদ্ধদেব নিজেই গোলমালে প্ররোচনা দিয়ে থাকতে পারেন।
















