বিজেপির ভাঁওতা প্রকল্প অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। আবেদনপূরণ থেকেই যে প্রকল্পের একাধিক জটিলতার সমস্যার মুখে পড়েছেন রাজ্যের মহিলারা। একাধিক নথি দিতে গিয়ে নাজেহাল হয়েছেন তাঁরা। এ নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলেছে বিক্ষোভ, এখনও চলছে। জুন মাস থেকে চালু হওয়া এই প্রকল্পে মোটে একবার টাকা পেয়েছেন মহিলারা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এবিষয়ে ফের সরব হন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
অন্নপূর্ণা যোজনা ‘ইলেকশন চিটিং’, কটাক্ষ কুণালের
Sponsored

বৃহস্পতিবার কলকাতায় আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ভোটের আগে বিজেপির তরফে প্রচার করা হয়েছিল যে সমস্ত মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন, তাঁদের সকলকেই অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা দেওয়া হবে। কিন্তু ভোট মিটতেই সেই প্রতিশ্রুতি হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে। মানুষের সমর্থন পাওয়ার পর থেকেই একের পর এক নতুন নিয়ম ও কঠোর শর্ত চাপিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রক্রিয়াগত জটিলতা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে মহিলাদের অসন্তোষ তীব্র হচ্ছে। আবেদনপত্র জমা দেওয়া থেকে শুরু করে নানা ধরনের নথি জোগাড় করতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। এই নিয়ে রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে এবং বহু জায়গায় সেই অসন্তোষ এখনও অব্যাহত রয়েছে। তা ছাড়া জুন মাসে চালু হওয়া এই প্রকল্পে মহিলারা এ পর্যন্ত মাত্র এক বারই অর্থ পেয়েছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
কুণাল ঘোষের অভিযোগ, শুধু অন্নপূর্ণা যোজনাই নয়, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের বদলে আয়ুষ্মান ভারত চালুর ক্ষেত্রেও ঠিক একইভাবে জটিল সব নিয়ম চাপিয়ে সাধারণ মানুষকে সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির এই নীতি ও প্রতারণার চাল আগেই তারা আঁচ করতে পেরেছিল এবং সে বিষয়ে রাজ্যবাসীকে সচেতন ও সতর্ক করা হয়েছিল। ভোটের ফায়দা তুলতে বিজেপি যে ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













