Site Logo

ডিজিটাল যোদ্ধা কনক্লেভে' কঠিন দিনের যোদ্ধারা উপেক্ষিত, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

EBBS DESK·
ডিজিটাল যোদ্ধা কনক্লেভে' কঠিন দিনের যোদ্ধারা উপেক্ষিত, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

আমরা ডিজিটাল (Digital) যোদ্ধা' কনক্লেভ হয়েছে মিলন মেলায়, সোমবার। মূলত তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়দের অনুষ্ঠান বলেই পরিচিত। মূল বক্তা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অনুষ্ঠানে কয়েকজনকে সম্মানিতও করা হয়েছে। কিন্তু এই অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে আইপ্যাক (I-Pac) ভোটের মুখে তৃণমূল (TMC) সমর্থকদের কার্যত দুভাগে ভাগ করে ফেলেছে। এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ আর চর্চা চলছে।

Sponsored

Sranchi In Article

অনুষ্ঠানটি মূলত নতুন প্রজন্মকে নিয়ে করা। সিনিয়রদের তেমন দেখা যায়নি। কিন্তু তরুণদের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন। অভিযোগ, যারা দীর্ঘকাল ধরে বহু প্রতিকূলতার মধ্যেও সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) দলের প্রচার করেছেন, তাদের অনেককেই দেখা যায়নি। যারা সেভাবে সক্রিয় নয়, তাদের এনে ভিড় বাড়ানো হয়েছে। যারা এক বছর আগে আরজিকর ইস্যুতেও পাঁচিলে উঠে বসেছিল, তারা এখন সামনে। আর ওই কঠিন সময়ে ঝড়ের মুখে দাঁড়িয়ে যারা লড়েছে, তাদের অধিকাংশই ব্রাত্য। যাদের দিয়ে বক্তৃতা করানো হয়েছে, তারা বেশিটাই বহু ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়। এমনকি আইপ্যাকে ইডি হানার দিন নেত্রীর ছুটে যাওয়ার পদক্ষেপও যারা পোস্ট বা শেয়ার করেনি, তারা এখন জ্ঞান দিতে এসেছে। একের পর নেতার ছেলেমেয়েদের সেজেগুজে লাফালাফি দেখে আসল সক্রিয়রা বলছেন," কাজের সময় দেখা নেই, এখন ফ্যাশন প্যারেড দেখতে হচ্ছে।"

Sponsored

Merlin In Article

যারা দীর্ঘদিনের কনটেন্ট ক্রিয়েটর, যারা পলিটিকাল পয়েন্ট বুঝে পোস্ট করে, তারা ক্লাস নিতে পারেনি। যে টুইট শেখাচ্ছে, তার ফলোয়ার অনেকের থেকে কম। স্রেফ মুখ চেনা, লবি, গোষ্ঠীবাজির মধ্যে দিয়ে এই অনুষ্ঠান হয়েছে। কে কার কাছের, কে কাকে তেল মারে, কে আইপ্যাক অফিসে ঘনঘন যায়, এসবই গুরুত্ব পেয়েছে। দেব নিশ্চয়ই সুপারস্টার, তিনি কনক্লেভে বক্তা, যিনি জীবনে দলের কঠিন সময়ে বিপক্ষকে আক্রমণ করে কোনো পোস্টই করেননি। সূত্রের খবর, সভার তিন দিন আগেও সম্ভাব্য উপস্থিতি কম বুঝে বিভিন্ন এলাকা থেকে মরিয়া হয়ে ছেলে আনা হয়েছে। যে কয়েকজন এখন সত্যি ভালো কাজ করছে, তাদের উপস্থিতি নিয়ে সমস্যা নেই। কিন্তু দীর্ঘকাল কাজ করে যারা স্বীকৃতি পায়নি, একটা আমন্ত্রণও পায়নি, বিভিন্ন জেলা থেকেই তার প্রতিক্রিয়া আসছে। আজ দল ভালো জায়গায় আছে বলে একবছর আগের কঠিন সময়ের যোদ্ধাদের অপমানিত করা হবে, এটা কেউ বরদাস্ত করতে তৈরি নয়। দলনেত্রীর মুখ চেয়ে সামনে ভোট বলে এই ক্ষোভ আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কিন্তু কঠিন ইস্যুতে প্রবল ঝুঁকি নিয়ে সোশাল মিডিয়া (Social Media) করা কর্মীরা উপেক্ষার কারণে ফুঁসছেন।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

সোশাল মিডিয়ায় নানা পোস্ট এবং কমেন্ট (Comment) দেখে সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, এখন লবি করে যাদের নিয়ে মাতামাতি, প্রমোট করা, এত খরচ করে মঞ্চ; আসল সময়ে তারা জল মাপে। আর নীরবে কাজ করে যায় জেলাভিত্তিক বিরাট বাহিনী, তারা আজকের নাটকের মঞ্চে উপেক্ষিত থাকে। এত যে নির্দেশ জারি হল, এসব তো তারা এতকাল নিজে থেকেই করে আসছে। তাদের উপেক্ষা, অপমান করলে দলের লাভ হয় না। কিছু কিছু কর্মীর লেখায় তীব্র অভিমান ফুটে উঠেছে। কেউ লিখেছেন,' আমাদের আর প্রয়োজন নেই।' আসলে ভাষণে বলা হয় কাজ করলে দল খুঁজে নেবে। কিন্তু নব্বই শতাংশ তাদেরই নেওয়া হয় যারা যোগাযোগে থেকে লবি করে।

Sponsored

Camelia In Article

-

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

-

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →