Site Logo

প্রয়োজনে ফের সঞ্জয়-সহ সন্দেহভাজনদের জেরা করা যাবে: আর জি কর মামলায় CBI-কে নয়া নির্দেশ হাই কোর্টের

EBBS DESK·
প্রয়োজনে ফের সঞ্জয়-সহ সন্দেহভাজনদের জেরা করা যাবে: আর জি কর মামলায় CBI-কে নয়া নির্দেশ হাই কোর্টের

আর জি কর মামলায় নয়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। প্রয়োজন মনে করলে CBI ফের সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রাই-সহ অন্য সন্দেহভাজনদের জেরা করতে পারবে। বৃহস্পতিবার হাই কোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা ও রাই চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত আধুনিক পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করুক তদন্তকারী সংস্থা-নির্দেশ আদালতে। এদিকে পরিবারের তরফে DNA প্রোফাইল এবং Audio Recording জমা দেওয়া হয়েছে। ১২ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।

Sponsored

Sranchi In Article

২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আর জি করে (R G Kar Medical College And Hospital) চিকিৎসক-পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রাইকে (Sanjay Rai) গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। মৃতার মা-বাবার আবেদনের ভিত্তিতে সিবিআইকে তদন্তভার দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি আর জি কর মামলার রায় ঘোষণা করে শিয়ালদহ আদালত। দোষী সাব্যস্ত হয় সঞ্জয়। ২০ জানুয়ারি তাকে আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেন বিচারক অনির্বাণ দাস। শিয়ালদহ আদালত রায় দেওয়ার আগেই হাই কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন অভয়ার মা-বাবা। সিবিআই তদন্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে আবেদন করেন।

যদিও সেই সময় মৃতার পরিবারের ওই আবেদন শুনতে চাননি বিচারপতি ঘোষ। কারণ, সেইসময় সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court) আর জি কর মামলা চলছিল। এর পরে সেখানেও একই আবেদন করেন অভয়ার মা-বাবা। কিন্তু একই আবেদনের শুনানি কেন সুপ্রিম কোর্টেও হবে- প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না জানিয়ে দেন, কলকাতা হাই কোর্টই মামলা শুনবে।

এ দিন সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ও রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চে জানায়, সিবিআই যেন জিজ্ঞাসাবাদ করতে দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়। আদালতের মন্তব্য, সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় (Sanjay Rai) অনেক কিছুই জানে বলে মনে হয়। ফলে সমস্ত আধুনিক পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করুক সিবিআই - মন্তব্য বিচারপতি মান্থার।

আদালতের মন্তব্য, মৃত চিকিৎসকের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের যদি কোনও আপত্তি না থাকে রাজ্যের আপত্তি কোথায়? সিবিআই যদি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তাহলে রাজ্যের আপত্তি থাকার কথা নয়।

আদালতের মতে, খড়্গপুর আইআইটিতেও ছাত্রের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় পরে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা খুনের প্রমাণ দিয়েছিলেন। এক্ষেত্রেও ফরেনসিক রিপোর্ট আরও ভালো করে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।

এদিন পরিবার DNA প্রোফাইল এবং Audio Recording আদালতে জমা দিয়েছে। এই দুটি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে সিবিআই। ১২ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →