তৃণমূলের ২১ শে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক শহিদ স্মরণসভার অনুষ্ঠানের দক্ষ হাতে সঞ্চালনা করলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। জনসভা থেকে তিনি বিরোধীদের চক্রান্ত এবং আইনি বাধার বিরুদ্ধে সুর চড়ান। বেলেঘাটার বিধায়ক ঋতব্রতপন্থীদের তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, "ওখানে দু'চারটে লোক বসে আছে, কর্মীরা তো এখানে।" পাশাপাশি সাংবাদিক বন্ধুদের অনুরোধ করেন ভিড়ের আসল ছবিগুলো প্রকাশ করার জন্য। 

অনুষ্ঠানের শুরুতেই কুণাল ঘোষ ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের শহিদ—বন্দন দাস, মুরারি চক্রবর্তী, রতন মণ্ডল, বিশ্বনাথ রায়, অসীম দাস, কেশব বৈরাগী, শ্রীকান্ত শর্মা, দিলীপ দাস, প্রদীপ রায়, মহম্মদ খালেক ও ইনু-র প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সভা আটকে দেওয়ার নানা চেষ্টার কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, "শত চেষ্টা করেও তৃণমূল কংগ্রেসের এই ২১ জুলাইয়ের শহিদ স্মরণসভা আটকানো যায়নি। তৃণমূল সমর্থকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে এই সভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করেছে।" কুণাল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ছিল, আছে, থাকবে।" তৃণমূল সমর্থকদের কাছে আবেদন জানান, 'গদ্দার'দের সঙ্গে দেখা হলে নিজেদের ভোট ফেরত চাওয়ার জন্য। বিচারব্যবস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে কুণাল ঘোষ স্পষ্ট বার্তা দেন, "আমরা আদালতের রায় যেমন মেনে নিই, তেমনই জনতার রায়কেও মেনে নেওয়া উচিত। গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের রায়ই যে চূড়ান্ত, তা আরও একবার এই শহিদ দিবসে প্রমাণিত হল।"