Site Logo

মহিলা সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে ডিলিমিটেশন জুড়ছ কেন? মোদি সরকারকে তীব্র নিশানা মমতার

EBBS DESK·
মহিলা সংরক্ষণ বিলের সঙ্গে ডিলিমিটেশন জুড়ছ কেন? মোদি সরকারকে তীব্র নিশানা মমতার

“৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল তো অনেকদিন পড়ে রয়েছে। তার সঙ্গে জনবিন্যাস কেন করছ? একসঙ্গে কেন? বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত করছো?“- ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বৃহস্পতিবার কোচবিহারের ঘোকসাডাঙার জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মাথাভাঙার তৃণমূল প্রার্থী সাবলু বর্মণের সমর্থনে সভা থেকে মোদি সরকারকে (Modi Government) ধুয়ে দেন মমতা।

Sponsored

Sranchi In Article

তীব্র নিশানা করে মমতার (Mamata Banerjee) কথায়, “ডিলিমিটেশন বিল আর মহিলা সংরক্ষণ বিল আলাদা। কেন এক সঙ্গে জুড়ে দিচ্ছে? আমি ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিয়ে লড়াই করেছি সংসদে। আমাদের দল লড়াই করছে। এরপর এনআরসি (NRC) করবে। চার তারিখ তোমাদের মুখোশ টেনে খুলে দেব।“ এরপরেই দলের প্রার্থীকে পাশে দাঁড় করিয়ে তিনি বলেন, “এখানে একজন অধ্যাপককে প্রার্থী করেছি। আপনারা কাকে ভোট দেবেন? একজন গুন্ডাকে নাকি একজন অধ্যাপককে।“

নাম না করে এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তোপ দেগে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, “কাল মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেছে, যাঁদের নাম কেটেছে, সবাইকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে। যাঁরা বলছে তাড়িয়ে দেবে, তাঁদের আমি ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেব। বাংলা জিতে দিল্লি দখল করব।“ মাতৃশক্তি ভরসা কার্ড নিয়ে মমতা বলেন, “এত যখন কাজের ইচ্ছা, তখন ভোটের আগে করনি কেন? এখন ফর্ম পূরণ করাচ্ছে। ফর্মে আপনাদের নাম-ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর নিচ্ছে। ভুলেও দেবেন না। যেটুকু ছিল, তাও লুট করে নেবে। আমার হাতে আইনশৃঙ্খলার ভার এখন না থাকলেও আগামী দিনে থাকবে। ভোট এলেই কোচবিহারে অশান্তি কেন হবে? শুনেছেন তো, নাম বাদ দেওয়ার জন্যই যে এসআইআর, কাল শাহ তা নিজের মুখেই স্বীকার করে নিয়েছেন। বুথে বসার লোক নেই। এজেন্সিকে দিয়ে ফর্ম পূরণ করাচ্ছে। তাদের বুথে বসাচ্ছে। টাকার ভান্ডার নিয়ে এসেছে।“

এরপরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে নিশানা করে মমতা বলেন, “ওই ফর্মে নাম, ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখতে হবে। কিছু তো দেবেই না। যেটুকু আছে কেড়ে নেবে সব। ওরা কোথাও কিছু দেয়নি। নির্লজ্জ অর্থমন্ত্রী, এসে কার্ড বিলি করছে। ভারত সরকার আজ পর্যন্ত কোচবিহারের মানুষের জন্য একটা কাজ করতে পারেনি। ছিটমহল অধিগ্রহণ আমি করে দিয়েছিলাম। আপনারা সম্মান, নিজেদের অধিকার নিয়ে বাঁচছেন। বিজেপি অত্যাচারী, রাজবংশী বিরোধী, মহিলা বিরোধী, আদিবাসী বিরোধী, সংখ্যালঘু বিরোধী।“ এছাড়া নারায়ণী ব্যাটেলিয়ান, পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়, রেলপথ, বিমানবন্দর, রাজবংশী ভাষা, অ্যাকাডেমির কথাও বলেন তিনি।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →