Site Logo

ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে মা-ছেলের লড়াই: শিখার আশীর্বাদ নিয়ে প্রচার শুরু রঞ্জনের

EBBS DESK·
ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে মা-ছেলের লড়াই: শিখার আশীর্বাদ নিয়ে প্রচার শুরু রঞ্জনের

সম্পর্কে তাঁরা মা-ছেলেই বলা যায়। কিন্তু রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্ন মেরুর। এবার ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে মুখোমুখি একসময়ের রাজনৈতিক গুরু ও শিষ্য তথা মা-ছেলে। এই কেন্দ্রে শাসকদল তৃণমূল প্রার্থী করেছে রঞ্জন শীল শর্মাকে (Ranjan Sil Sharma)। বিজেপির প্রার্থী বর্তমান বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় (Shikha Chattapadhya)। রক্তের সম্পর্ক না হলেও বাস্তবে তাঁদের সম্পর্ক মা-ছেলের মতোই ঘনিষ্ঠ। বৃহস্পতিবার শিখার পায় ছুঁয়ে প্রচারে বেরিয়েছেন রঞ্জন। আশীর্বাদ করেছেন মা শিখাও।

Sponsored

Sranchi In Article

একই পরিবারের সদস্যদের ভিন্ন রাজনৈতিক দলের হয়ে লড়াই করা নতুন নয় বঙ্গ রাজনীতিতে। কিন্তু সম্পর্ক যদি হয় মা-ছেলের মতো, আর সেই দু’জনকেই যদি ভোটের ময়দানে মুখোমুখি হতে হয়- তাহলে তা নিঃসন্দেহে অন্য মাত্রা যোগ করে। ছোটবেলাতেই বাবাকে হারান রঞ্জন। পরে মায়ের মৃত্যুর পর শিখা চট্টোপাধ্যায়ই তাঁকে নিজের সন্তানের মতো করে মানুষ করেন। সেই থেকেই শিখাকে ‘মা’ বলেই ডাকেন রঞ্জন। শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, রঞ্জনের রাজনীতিতে হাতেখড়িও শিখার হাত ধরেই। একসময় দুজনেই তৃণমূলে ছিলেন। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রে তৃণমূলের (TMC) প্রার্থী হতে না পেরে বিজেপিতে (BJP) যোগ দেন শিখা। সেই নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেবকে পরাজিত করে তিনি বিধায়ক হন। রঞ্জন কিন্তু তৃণমূলেই থেকে যান এবং বর্তমানে শিলিগুড়ি পুরনিগমের কাউন্সিলর ও জেলা সংগঠনের দায়িত্বে রয়েছেন। এই কেন্দ্রে শিখাকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। অন্যদিকে, তৃণমূল এই কেন্দ্রে নতুন মুখ হিসেবে তুলে ধরেছে রঞ্জন শীল শর্মাকে।

প্রার্থী ঘোষণা হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রেখে কীভাবে তাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রচার চালাবেন, তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে। রঞ্জন (Ranjan Sil Sharma) জানিয়ে ছিলেন, প্রচারে নামার আগে তিনি শিখার বাড়িতে গিয়ে আশীর্বাদ নেবেন। তাঁর কথায়, “মায়ের আশীর্বাদ নিয়েই এই লড়াইয়ে নামব।” শিখা চট্টোপাধ্যায়ও ইঙ্গিত দেন রাজনৈতিক লড়াই আর ব্যক্তিগত সম্পর্ক—দুটি আলাদা বিষয়।

বাস্তবেও দেখা গেল, এদিন সকালে মাকে প্রণাম করে প্রচার শুরু করেলেন রঞ্জন। তাঁর কথায়, “রাজনীতি আলাদা, ব্যক্তিগত সম্পর্কে তিনি আমার মা।” রঞ্জনকে আশীর্বাদ করে শিখা বলেন, ছেলে যেন মানুষের জন্য ভালো কাজ করেন। শেষ পর্যন্ত জয় কার ঝুলিতে যায় এখন সেটাই দেখার।

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →