Site Logo

জাতীয় কন্যাসন্তান দিবস: বাংলায় নারী স্বীকৃতি তুলে ধরে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

EBBS Desk·
জাতীয় কন্যাসন্তান দিবস: বাংলায় নারী স্বীকৃতি তুলে ধরে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

২০০৮ সাল থেকে ভারত সরকার ২৪ জানুয়ারি জাতীয় কন্যাশিশু দিবস বিশেষ ভাবে পালন করে। দেশে লিঙ্গ সমতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ইউপিএ (UPA) সরকারের সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সময়ে যেভাবে কন্যাদের রক্ষা ও প্রতিপালনে ভূমিকা নিয়েছে তার স্বীকৃতি পাওয়া গিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) তরফে। এই উপলক্ষ্যে এদিন সকল শিশু কন্যাকে নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই সঙ্গে তুলে ধরলেন রাজ্যের কন্যাদের উন্নতিসাধনে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধার কথা।

Sponsored

Sranchi In Article

এদিন মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, জাতীয় শিশু কন্যা দিবসে, আমি বাংলা এবং ভারতের প্রতিটি কন্যাকে আমার আন্তরিক ভালোবাসা এবং আশীর্বাদ জানাই। তাঁরা আমাদের সমাজের ভবিষ্যৎ স্থপতি। বাংলায়, আমরা একদিন শিশু কন্যা দিবস (Girl Child Day) উদযাপন করি না; বছরের প্রতিটি দিন, তাঁর জীবনের প্রতিটি মোড়ে তাঁকে শক্তিশালী করে তোলার প্রচেষ্টা করি। তাঁর জন্ম থেকে শুরু করে শিক্ষা এবং স্বনির্ভরতা, প্রতিটি মোড়ে, আমাদের সরকার তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে।

কন্যা সন্তানের স্বীকৃতি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, এই যাত্রা শুরু হয় কন্যাশ্রী দিয়ে, যা আমাদের বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত এবং পুরষ্কৃত। মেয়েদের বাল্যবিবাহকে নিরুৎসাহিত করে তাঁদের শিক্ষা এবং সুস্থতার প্রতীক এই কন্যাশ্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে আমরা ১ কোটি মেয়েকে আর্থিকভাবে সহায়তা করেছি। এছাড়া রয়েছে সবুজ সাথী। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে সাইকেল প্রদানের মাধ্যমে শিশুদের স্কুলে যাতায়াত সহজ করে তোলে এই প্রকল্প। শিক্ষাশ্রী, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী, তরুণের স্বপ্নের মতো প্রকল্প থেকেও তাঁরা সহায়তা পান; পাশাপাশি বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক, স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা, মধ্যাহ্নভোজ ইত্যাদিও পান।

আরও পড়ুন : সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে পুলিশের চোখে ‘AI’ সানগ্লাস!

কন্যা সন্তানকে যেভাবে বাংলার সরকার তার সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে তার তথ্য তুলে মুখ্যমন্ত্রী জানান, যখন মেয়েটি বিয়ে করে, তখন তিনি আমাদের রূপশ্রী প্রকল্পের অধীনে এককালীন আর্থিক সহায়তা পান। একজন প্রাপ্তবয়স্ক বয়স্ক মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে তালিকাভুক্ত হন, যা এখন বাংলার ২.২১ কোটি মহিলাকে আর্থিক স্বাধীনতা প্রদান করে। সাথে থাকছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড; গোটা পরিবারকে প্রতি বছর ৫ লক্ষ টাকা নিশ্চিত স্বাস্থ্য বীমা কভারেজ দেয় এই প্রকল্প। আজ, বাংলার মেয়েরা বিজ্ঞানের পরীক্ষাগার থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ক্রীড়ার মঞ্চ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে। আমরা তাঁদের এমন একটি পরিবেশ প্রদানের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে তারা স্বাধীনভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন, নির্ভীকভাবে শিখতে পারবেন এবং সাহসের সাথে সমাজকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →