এখনও পুরো ত্রুটি মুক্ত ব্যবস্থা হয়নি! সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে স্পষ্ট জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। শনিবার, কলকাতার রাজারহাটের আইআইটি (IIT) খড়্গপুর রিসার্চ পার্কের ‘উদ্যমী সমাগম’ বিশেষ অনুষ্ঠানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি মেনে নিলেন ‘বিচ্যুতি’ এখনও আছে। তবে, অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান শমীক। একই সঙ্গে দলের নেত-কর্মীদের দম্ভ ঝেড়ে ফেলার বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সতর্ক করে বলেন, অবাঞ্ছিত ডিম-থেরাপির মুখ ঘুরে যেতে পারে যে কোনও দিন। শমীকের কথাকে সমর্থন জানিয়ে কটাক্ষ করে তৃণমূল (TMC) মুখপাত্র তথা বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, তাহলে কতটা মারাত্মক তোলাবাজির অভিযোগ এসেছে, যার ফলে রাজ্য সভাপতিকে সতর্কবার্তা দিতে হচ্ছে।
সব তোলাবাজি বন্ধ হয়নি! মেনে নিলেন শমীক, ডিমের মুখ ঘুরে যেতে পারে: বিজেপির নেতা-কর্মীদের সতর্কবার্তা
বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, তাহলে কতটা মারাত্মক তোলাবাজির অভিযোগ এসেছে, যার ফলে রাজ্য সভাপতিকে সতর্কবার্তা দিতে হচ্ছে।
Sponsored

বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) পালা বদল। বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার। কিন্তু এখনও রয়েছে তোলবাজি-সিন্ডিকেট! কার্যত স্বীকার করে নিলেন শমীক। এই বিষয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির (BJP) রাজ্যসভার সাংসদ। বলেন, বলেন, ”যদি বলি সমস্ত তোলাবাজি বন্ধ করে দিতে পেরেছি, তাহলে ভুল বলছি। বিচ্যুতি আছে, সহজে টাকা রোজগারের একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। কেউ ৪ ঘণ্টায় শাসকদলে যোগ দিয়েছেন। আমার দলেরই কারও মনের মধ্যে সুপ্ত কিছু বাসনা ছিল। যেগুলি এতদিন অতৃপ্ত অবস্থায় ছিল, তা ফুটে বেরিয়েছে।”
শমীক সাফ জানান, ”এটা অস্বীকার করলে মিথ্যাচার হবে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কঠোরভাবে এসব বন্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, বাণিজ্য...সমস্ত জায়গাতেই কিছু মানুষ ঢুকতে চাইছেন। কিছু মানুষ রাজনৈতিক পতাকা নিয়ে ঢুকে পড়তে চাইছেন...”
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় সরকার গড়েছে বিজেপি। তাতে যেন দম্ভ না আসে দলের নেতা-কর্মীদের। সতর্ক করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, তোলাবাজি নিয়ে দলের একাংশকে কড়া বার্তা শমীক ভট্টাচার্যের। তিনি বলেন, ”আজ আমরা ২০৭, এই শরীরি ভাষা নিয়ে নামলে পরিণতি বিপজ্জনক। কারণ অভিমুখ বদলাতে সময় লাগে না। সমস্ত একচেটিয়া একাধিপত্যের পতন হয়। আমাদের দলকে মনে রাখতে হবে। আর যারা নতুন নতুন আমাদের দলে এসেছেন। হঠাৎ তাদের মধ্যে নতুন কিছু পাওয়ার চিন্তা এসেছে। সেই সনাতনীরাও কিন্তু সাবধান হবেন।” শমীকের কথায়, অবাঞ্ছিত ডিম-থেরাপির মুখ ঘুরে যেতে পারে যে কোনও দিন।
সব ক্ষেত্রে রাজনীতি না ঢোকানোর পক্ষে সওয়াল করেন শমীক। বলেন, “রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা রাজনৈতিক সমাজের বাসিন্দা হয়ে গিয়েছি। এর থেকে মুক্তি চাই। প্রত্যকেটা পদক্ষেপে রাজনীতির অনুপ্রবেশ। এর বাইরে যতক্ষণ না পশ্চিমবঙ্গ বেরোতে পারছে, কোনও সরকার পরিবর্তন আনতে পারবে না। বিনিয়োগ আনতে পারবে না।”
শমীকের কথাকে সমর্থন জানিয়ে কটাক্ষ করে তৃণমূল (TMC) মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, তাহলে কতটা মারাত্মক তোলাবাজির অভিযোগ এসেছে, যার ফলে রাজ্য সভাপতিকে সতর্কবার্তা দিতে হচ্ছে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

More from শিরোনাম
View All →
জইশ জঙ্গির নিশানায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী! বর্ধমান থেকে গ্রেফতার কাশ্মীরি সন্ত্রাসবাদী হামিদ
1d ago

ভদ্রেশ্বরে বেলাইন মালগাড়ি!অফিস টাইমে ব্যাহত হাওড়া বর্ধমান মেন লাইনে ট্রেন চলাচল
1d ago

সংসদের ভিতরে বাইরে বিক্ষোভ, দুপুর দুটো পর্যন্ত মুলতুবি অধিবেশন
2d ago

বীরভূমে শেষ হল তল্লাশি অভিযান, উদ্ধার সাড়ে ২৮ কোটি নগদ! গ্রেফতার মিনার
2d ago

যন্তরমন্তরে আন্দোলনকারীদের উপর লাঠিচার্জ কেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহি চায় বিরোধীরা
3d ago







